সিরাজগঞ্জ প্রতিদিন

সিরাজগঞ্জের সবচেয়ে জনপ্রিয় বাংলা অনলাইন নিউজ সাইট

বঙ্গবন্ধু বহুমুখি সেতু

যমুনা সেতু তথা যমুনা বহুমুখী সেতু বাংলাদেশের যমুনা নদীর উপরে অবস্থিত একটি সড়ক ও রেল সেতু। এর দৈর্ঘ্য ৪.৮ কিলোমিটার। এটি বাংলাদেশ এবং দক্ষিণ এশিয়ার দীর্ঘতম সেতু। ১৯৯৮ সালে এর নির্মাণ কাজ শেষ হয়। ইহা যমুনা নাদীর পূর্ব তীরের ভূয়াপুর এবং পশ্চিম তীরের সিরাজগঞ্জকে সংযুক্ত করে। এইটি বিশ্বে ১১তম এবং দক্ষিণ এশিয়ার ৬ষ্ঠ দীর্ঘতম সেতু।

ইলিয়ট ব্রিজ

ইলিয়ট ব্রিজ সিরাজগঞ্জ শহরের কাটা খালের উপরে লোহা ও সিমেন্টের সমন্বয়ে তৈরী। সিরাজগঞ্জ শহরকে দেখার জন্য কাঁটাখালের উপরে প্রায় ৩০ ফুট উঁচু করে ইংরেজ এসডিও মিঃ বিটসন বেল আই, সি, এস, সাহেব ১৮৯৫ সনে ৪৫,০০০ টাকা খরচ করে বাংলার তৎকালিন ছোট লাট স্যার আল ফ্রেড ইলিয়ট সাহেবের নামানুসারে এই ব্রিজ তৈরী করেছিলেন। নামানুসারে এই ব্রিজ তৈরী করেছিলেন।

Monday, September 26, 2016

সিরাজগঞ্জে ‘পাগলী’ ভিক্ষুকের বস্তাভর্তি টাকা


চৌহালী,সিরাজগঞ্জঃ
ময়লা জড়ানো বস্তা নিয়েই তিনি ঘুরতেন। পছন্দ হলে হাত পাততেন। অনেকেই খুশি মনে দিতেন কয়েন বা দুই থেকে এক শ টাকার নোট। ছোট-ছোট থলে করে মোচড়িয়ে তিনি চিনির একটি বস্তা ভরে জমিয়েছিলেন এসব টাকা। যেখানে যেতেন সেখানেই বস্তাটি কাঁধে করে ঘুরতেন। সিরাজগঞ্জের চৌহালী উপজেলার এনায়েতপুর হাটে এই অপরিচিত পঞ্চাশ ঊর্ধ্ব বয়সী পাগলী ভিক্ষুকের বস্তা ভরা টাকা উদ্ধারের বিষয়টি এখন এলাকার আলোচ্য বিষয় হতে দাঁড়িয়েছে। থানায় ১০ জনের একটি দল তিন ঘণ্টা গুণে এ টাকার হিসেব কষেছেন ৩৮ হাজার ৬৮০ টাকা।
এলাকাবাসী ও থানা পুলিশ জানায়, এনায়েতপুর হাটের আমতলা মোড়ের জোচনের চায়ের দোকানের কোনায় আবর্জনা মাখা বস্তা নিয়ে প্রায়ই অবস্থান করতো সাদা টাউজার ও গায়ে জামপার্ট পরা কম্বল জড়ানো এক বৃদ্ধা পাগলী। চলাফেরা করতো এনায়েতপুর হাট ও কেজির মোড়সহ বিভিন্ন এলাকায়। রবিবার বিকেলে হঠাৎ বস্তাটি জোচনের চায়ের দোকানের কোনায় রেখে বের হলে কৌতুহলবশত মুঠি বাঁধা বস্তাটি আংশিক খুললে ভেতরে মোচড়ানে অনেক টাকা দেখতে পান কয়েকজন। মুহূর্তের মধ্যেই তা দেখতে কিছু লোকজন ভীড় করলে পাশে থাকা এনায়েতপুর থানার এসআই মেহেদী হাসান ছুটে এসে টাকার বস্তাটি স্থানীয়দের সঙ্গে নিয়ে উদ্ধারের পর থানায় নেয়া হয়। এ খবর মুহূর্তের মধ্যে ছড়িয়ে পড়লে টাকার বস্তা দেখার জন্য থানা গেটে কয়েক শ মানুষ ভীড় জমায়।
এদিকে এনায়েতপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রাশেদুল ইসলাম বিশ্বাস জানান, টাকা উদ্ধারের পর থেকে ওই পাগলীকে আর এলাকায় দেখা যাচ্ছেনা। বর্তমানে টাকাগুলো জিডি করে থানা হেফাজতে রাখা হয়েছে। মানসিক ওই বৃদ্ধা নারী বা তার কাছের কাউকে পেলে টাকাগুলো তুলে দেয়া হবে।

Wednesday, September 21, 2016

সরকারি হাসপাতালে চিকিৎসক, নার্স, কর্মকর্তা-কর্মচারীদের উপস্থিতি নিশ্চিত করার জন্য বায়োমেট্রিক।


পরীক্ষিৎ চৌধুরী তথ্য অফিসার স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ঃ
সরকারি হাসপাতালে চিকিৎসক, নার্স, কর্মকর্তা-কর্মচারীদের উপস্থিতি নিশ্চিত করার জন্য বায়োমেট্রিক মেশিন ব্যবহার বাধ্যতামূলক করতে সংশ্লিষ্টদের নির্দেশ দিয়েছেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী মোহাম্মদ নাসিম। হাসপাতালে অনুপস্থিতির কোনো অভিযোগ পেলে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাসহ হাসপাতাল পরিচালক, সিভিল সার্জন এবং উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তাকেও দায়ী করা হবে বলে তিনি জানিয়েছেন।

আজ সচিবালয়ে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে অনুষ্ঠিত সরকারি জেলা ও উপজেলা হাসপাতালের সার্বিক ব্যবস্থাপনার মান উন্নয়ন সংক্রান্ত সভায় সভাপতিত্বকালে তিনি এই নির্দেশ প্রদান করেন।

স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, জনগণের জন্য মানসম্মত স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতে সরকারের কর্মসূচির সাফল্য নির্ভর করে চিকিৎসক ও নার্সদের শতভাগ সেবার উপর। এক্ষেত্রে কোনো ধরনের অবহেলা মেনে নেওয়া যায় না। কর্মস্থলে অনুপস্থিত থেকে সাধারণ মানুষকে চিকিৎসা দিতে সবাইকে সচেষ্ট থাকতে হবে। পাশাপাশি হাসপাতাল এলাকায় দালাল উৎখাতে কঠোর পদক্ষেপ নেওয়ার জন্য সকল পরিচালককে নির্দেশ দেন তিনি। এ সময় মন্ত্রী সরকারি হাসপাতালের আশেপাশে বেসরকারি ক্লিনিক ও ডায়াগনস্টিট সেন্টার স্থাপন নিরুৎসাহিত করে নীতিমালা প্রণয়নেরও তাগিদ দেন।

হাসপাতালের ইউজার ফি বন্টন ও ব্যবহার সম্পর্কে আগামী এক মাসের মধ্যে একটি নীতিমালার খসড়া প্রণয়ন করতে মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব হারুন-উর-রশীদ খান-এর নেতৃত্বে একটি কমিটি গঠনের নির্দশ দিয়েছেন মন্ত্রী।

সভায় আউটসোর্সিং এর মাধ্যমে হাসপাতালের বর্জ্য নিষ্কাশন ব্যবস্থাপনার আধুনিকায়ন এবং নিরাপত্তা ও পরিচ্ছন্ন কর্মী নিয়োগ প্রসঙ্গেও আলোচনা করা হয়।

সভায় অন্যান্যের মাঝে মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব বিমান কুমার সাহা এনডিসি, স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. আবুল কালাম আজাদসহ মন্ত্রণালয় ও অধিদপ্তরের ঊর্দ্ধতন কর্মকর্তাগণ এবং বিভিন্ন সরকারি হাসপাতালের পরিচালকবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

Tuesday, September 20, 2016

সলঙ্গা থেকে বোমাসহ ৪ জেএমবি সদস্য আটক

সিরাজগঞ্জ প্রতিনিধি : সিরাজগঞ্জের সলঙ্গা থেকে বাবা ও ছেলেসহ ৪ জেএমবি সদস্যকে আটক করেছে ডিবি পুলিশ।

সলঙ্গার এরান্দহ গ্রামের জয়নাল আবেদীনের বাড়ি সংলগ্ন জামিয়াতুল কুর-আন ক্যাডেট মাদ্রাসায় গোপন বৈঠক করার সময় মঙ্গলবার (২০ সেপ্টেম্বর) ভোরে তাদেরকে আটক করা হয়।

আটকরা হলেন-সিরাজগঞ্জ জেলা জেএমবির শায়েক ও সলঙ্গা থানার নলকা ইউপির এরান্দহ বাজার এলাকার মৃত জসিম উদ্দিনের ছেলে জয়নাল আবেদীন (৫৫), তার দুই ছেলে বোরহান উদ্দিন (২৮) ও ইমরান আলী (২৬) এবং জেলা জেএমবির ক্যাশিয়ার আবু বকর সিদ্দিক (৪৯)। আবু বকর কাজিপুর উপজেলার গান্ধাইল দক্ষিণপাড়ার মৃত ইছহাক উদ্দিনের ছেলে।

সিরাজগঞ্জ ডিবি পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ওহেদুজ্জামান বলেন, গোপন বৈঠক করছে এমন সংবাদের ভিত্তিতে ওই মাদ্রাসায় অভিযান চালিয়ে ৪ জেএমবি সদস্যকে আটক করা হয়। এ সময় তাদের কাছ থেকে ১০টি ককটেল, বিপুল পরিমাণ বোমা তৈরির উপকরণ ও বেশ কিছু জেহাদী বই উদ্ধার করা হয়।

তিনি আরো জানান, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তারা সকলেই জেএমবির সক্রিয় সদস্য বলে স্বীকার করেছে। জেএমবির সদস্য সংগ্রহ, অর্থ সংগ্রহ, জিহাদী বই বিতরণসহ সংগঠনের কর্মপন্থা নির্ধারণের জন্য ওই বৈঠকে মিলিত হয়েছিল তারা।

এদিকে মঙ্গলবার (২০ সেপ্টেম্বর) দুপুর ১টার দিকে এক সংবাদ সম্মেলনে জেলা পুলিশ সুপার মিরাজ উদ্দিন আহমেদ জানান, এরা দীর্ঘদিন ধরেই সিরাজগঞ্জ জেলা সদর এবং বিভিন্ন উপজেলায় গোপন বৈঠকের মাধ্যমে তাদের কার্যক্রম পরিচালনা করছিল। তাদের বিরুদ্ধে বিস্ফোরকসহ একাধিক মামলার প্রস্তুতি চলছে।

সিরাজগঞ্জে জেলা প্রশাসক হিসেবে যোগ দিলেন কামরুন নাহার

সিরাজগঞ্জ প্রতিনিধিঃ
সিরাজগঞ্জ জেলার ইতিহাসে প্রথম নারী জেলা প্রশাসক হিসেবে যোগদান করেছেন বেগম কামরুন নাহার সিদ্দীকা।
সোমবার সকালে জেলা প্রশাসক হিসেবে যোগদানের জন্য তিনি সিরাজগঞ্জে সার্কিট হাউসে আসেন। এসময় অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক কামরুল হাসান (সার্বিক) ও মো. শামীম আলম (রাজস্ব) সহ প্রশাসনের কর্মকর্তারা তাকে ফুলের তোড়া দিয়ে স্বাগত জানান।
মঙ্গলবারে তিনি বিদায়ী জেলা প্রশাসক মো. বিল্লাল হোসেনের কাছ থেকে দায়িত্ব গ্রহণ করবেন।
নবাগত জেলা প্রশাসক কামরুন নাহার টাঙ্গাইল জেলার বাসিন্দা। সিরাজগঞ্জে যোগদানের আগে তিনি প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের গভর্নেন্স ইনোভেশন ইউনিটের পরিচালকের দায়িত্ব পালন করেছেন। এদিকে, সদ্য বিদায়ী জেলা প্রশাসক মোঃ বিল্লাল হোসেন তিন বছর তিন মাস ৭ দিন দায়িত্ব পালন শেষে কৃষি মন্ত্রণালয়ের উপ-সচিব পদে পদায়ন পেয়েছেন।

Monday, September 19, 2016

সিরাজগঞ্জে হার্ড পয়েন্টকে পর্যটন কেন্দ্র গড়ে তোলার দাবী

সিরাজগঞ্জের মানুষের কোন বিনোদনের জায়গা নেই । উত্তর বঙ্গের প্রবেশদ্বার সিরাজগঞ্জে বঙ্গবন্ধু সেতু ও যমুনা নদীর তীর ঘেষে পর্যটন কেন্দ্র গড়ে উঠার সম্ভাবনা থাকলেও দীর্ঘ দেড় যুগেও গড়ে ওঠেনি পর্যটন শিল্প। কুয়াকাটার পর এবার সিরাজগঞ্জ শহর রক্ষা বাঁধের হার্ড পয়েন্টে দেখার সুযোগ সৃষ্টি হয়েছে সূর্যদয় ও সূর্যাস্তের দৃশ্য। প্রকৃতির এমন দৃশ্য দেখতে এখন হাজার হাজার মানুষ ভীড় করছে হার্ড পয়েন্টে। বিশেষ করে ঈদকে ঘিরে সিরাজগঞ্জ শহর রক্ষা বাঁধের হার্ড পয়েন্ট এখন হাজার হাজার মানুষের ভীরে মুখরিত। সচেতন সিরাজগঞ্জবাসী বলছেন সারা দেশের সাথে সিরাজগঞ্জের রেলপথ ও সড়ক পথের পাশাপাশি নৌপথ সৃষ্টি করে পর্যটন এলাকা গড়ে তুললে একদিকে যেমন জেলার গুরুত্ব আরও বাড়বে তেমনি অর্থনীতির চাকা ঘুরবে। তবে সংশ্লিষ্ট জানিয়েছেন পর্যটন মন্ত্রীর ঘোষণা অনুযায়ী জেলায় পর্যটন কেন্দ্রের গুরুত্ব বিবেচনা করে যমুনার কোল ঘেষে সিরাজগঞ্জের বেশ কয়েকটি এলাকা নিয়ে পর্যটন কেন্দ্র গড়ে তুলতে প্রক্রিয়া চলছে। এবং সিরাজগঞ্জে খুব তাড়াতাড়ি পর্যটন কেন্দ্র গড়ে তোলা সম্ভব হবে। সুত্রে জানা যায়, উত্তরবঙ্গের সাথে ঢাকার সরাসরি সড়ক যোগাযোগ স্থাপনের জন্য বঙ্গবন্ধু সেতু নির্মাণের পাশাপাশি সিরাজগঞ্জ শহরকে যমুনা নদীর কড়াল গ্রাস ও ভাঙ্গন থেকে রক্ষায় শহরের কোল ঘেষে নির্মাণ করা হয় সিরাজগঞ্জ শহর রক্ষা বাঁধ। বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ডের তত্বাবধানে আড়াই কিলোমিটার দীর্ঘ বাঁধটি নিমার্ণে প্রায় সাড়ে ৩শ কোটি টাকা ব্যয় হয়। ১৯৯৫ সালে শুরু হওয়া বাঁধটি ২০০১ সালে শেষ হয়। বাঁধটি নির্মাণের মধ্য দিয়ে মানুষের বিনোদনের দ্বার উন্মোচিত হয়। বাঁধের হার্ড পয়েন্টে দাঁড়িয়ে সূর্যোদয় এবং সূর্যাস্তের দৃশ্য বিনোদন পিপাসুদের বেশী আকৃষ্ট করে। এছাড়াও বন্যার সময় চারিদিকে শুধু পানি আর পানি, পানির উপর দিয়ে বয়ে আসা নির্মল বাতাস এবং শুষ্ক মৌসুমে জেগে ওঠা বড় বড় চর এবং চরের চিক্ চিক্ বালি মানুষের বিনোদনের মাত্রা আরও বাড়িয়ে দেয়। নদীর বুকে ছুটে চলা নৌকা, যমুনা নদীর সুবিস্তৃত জলরাশিঁ দেখে চোখ মন জুড়িয়ে নিচ্ছেন ভ্রমন পিপাসু মানুষ । কেও কেও ভাড়া নৌকায় নদীর বুকে জেগে উঠা চরে ভ্রমন করছেন । বিশেষ করে বিভিন্ন উৎসবে তরুন-তরুনী থেকে শিশু-কিশোর এমনকি প্রবীণরাও এখানে মেতে উঠছেন আনন্দে । ফলে জায়গাটি প্রথম দিকে শুধু সিরাজগঞ্জ বাসীর নজর কারলেও পরবর্তীতে দেশ-বিদেশের মানুষও চিত্ত বিনোদনের জায়গা হিসেবে সিরাজগঞ্জ শহর রক্ষা বাঁধকে বেছে নেয়। সময়ের সাথে সাথে বিভিন্ন বয়সী ও শ্রেনী পেশার মানুষ এখন সরকারি ছুটির দিন ছাড়াও বিভিন্ন উৎসব ও দিবসেও বিনোদনের স্থান হিসেবে সিরাজগঞ্জ শহর রক্ষা বাঁধ বেছে নিয়েছেন। যার কারনে দেশ-বিদেশের হাজারও মানুষের আগমনে যমুনা নদীরতীর হার্ড পয়েন্ট সব সময় থাকছে সরগরম। শত শত মানুষের আগমন ঘটায় এখানে বিভিন্ন ধরনের দোকান সাজিয়ে বসেছেন এলাকাবাসী ।এতে করে তাদেরও আয়ের পথ সৃষ্টি হয়েছে ।আর বিভিন্ন মানুষের আগমন ঘটায় স্থানীয় এলাকাবাসীও এ জন্য গর্ববোধ করে থাকেন। যার কারনে দীর্ঘদিন থেকে সিরাজগঞ্জ বাসী বঙ্গবন্ধু সেতু পশ্চিম গাইড বাঁধ থেকে হার্ড পয়েন্ট পর্যন্ত ১০ কিলোমিটার পর্যটন এলাকা হিসেবে গড়ে তোলার দাবী জানিয়ে আসছেন। শুধু সাধারণ মানুষের কাছেই নয়, স্থানটি সরকারেরও নজরে আসায় এবং পর্যটন এলাকা হিসেবে গুরুত্ব বহন করায় সম্প্রতি বেসামরিক বিমান ও পর্যটন মন্ত্রী রাসেদ খান মেনন সিরাজগঞ্জ হার্ড পয়েন্টে সফরে এলে স্বাস্থ্যমন্ত্রী মোহাম্মদ নাসিম এবং সিরাজগঞ্জ সদর আসনের সংসদ সদস্য প্রফেসর ডাঃ হাবিবে মিল্লাত মুন্না পর্যটন এলাকা হিসেবে গড়ে তুলতে সিরাজগঞ্জ বাসীর দীর্ঘ দিনের দাবীর কথা তুলে ধরলে মন্ত্রী দাবী পূরণের ঘোষণা দেন কিন্তু আজ পর্যন্ত কোন উদ্যেগ গ্রহন করা হয়নি। চানাচুর ও আচার বিক্রেতা মোঃ আব্দুল আলীম বলেন, বাধেঁর পাশে বসবাস করি। প্রতিদিন এখানে বহুলোক আসে। তাদেও দেখে বুক ভরে যায়। তারা আসে বলেই আমারা বেচাবিক্রি করে সংসার চালাই। যমুনার তীরই আমাদের জীবন জীবীকার প্রধান উৎস। জেলার তাড়াশ থেকে স্ত্রী সন্তান নিয়ে হার্ডপয়েন্ট এলাকায় বেড়াতে এসেছেন কলেজ শিক্ষক মুক্তার হোসেন তিনি বলেন, জেলার কোথাও বিনোদনের তেমন জায়গা নেই । হার্ডপয়েন্ট এলাকাটি সিরাজগঞ্জ বাসীর বেড়ানোর বিনোদনের অন্যতম স্থান হিসেবে গড়ে উঠেছে। সুযোগ পেলেই এখানে চলে আসি । পরিকল্পনা করে জায়গাটিকে বিনোদনের কেন্দ্র হিসেবে গড়ে তোলার দাবী জানান তিনি। সিরাজগঞ্জ স্বার্থরক্ষা সংগ্রাম কমিটির অন্যতম সদস্য নব কুমার কর্মকার বলেন, জেলার মানুষের বিনোদনের কোন জায়গা নেই । তাই সিরাজগঞ্জের মানুষের বিনোদনের কেন্দ্র হিসেবে হার্ডপয়েন্টকে বেছে নিয়েছেন। প্রতিদিন শত শত মানুষ এখানে বেড়াতে আসছেন । এখানে প্রচুর জায়গা রয়েছে । রয়েছে দীর্ঘ যমুনা নদীর তীর । বিনোদন কেন্দ্র হিসেবে গড়ে তোলার সকল সুযোগ সুবিধা রয়েছে এখানে । বেসামরিক বিমান ও পর্যটন মন্ত্রী রাসেদ খান মেনন সমপ্রতি সিরাজগঞ্জ সফরে এলে সিরাজগঞ্জ বাসীর দাবীর প্রেক্ষিতে এই এলাকাকে পর্যটন এলাকা হিসেবে গড়ে তোলার ঘোষণা দেন কিন্তু আজও তা বাস্তবায়ন হয়নি। যমুনা নদীর তীরকে সরকারীভাবে পর্যটন কেন্দ্র হিসেবে গড়ে তুললে মানুষের বিনোদনের অভাব পুরণ হওয়ার পাশাপশি সরকার এ থেকে বিপুল পরিমাণ রাজস্ব আদায় করতে পারে বলে তিনি মনে করেন। জেলা প্রশাসক মোঃ বিল্লাল হোসেন বলেন, স্বপ্নের বঙ্গবন্ধু সেতু স্থাপনের মধ্য দিয়ে জেলায় পর্যটন শিল্পের সম্ভাবনা প্রয়োজনীয়তা এবং গুরুত্ব বিবেচনা করে সরকাকারের পক্ষ থেকে কাজীপুরের মেঘাই থেকে সিরাজগঞ্জের হার্ডপয়েন্ট পর্যন্ত এলাকা ইতিমধ্যেই পর্যটন এলাকা গড়ে তোলার ব্যাপারে প্রক্রিয়া চলছে। যা দ্রুত বাস্তবায়ন হবে বলে তিনি মনে করছেন।

Sunday, September 18, 2016

চৌহালীতে ঐতিহ্যবাহী নৌকাবাইচ

সিরাজগঞ্জের চৌহালী উপজেলায় যমুনা নদীতে নৌকাবাইচ অনুষ্ঠিত হয়েছে। শনিবার বিকেলে ঢাকাস্থ চৌহালী উপজেলা কল্যাণ সমিতির উদ্যোগে এই প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়।

মিটুয়ানী পাকা ব্রিজের বটতলার কাছ থেকে পাথরাইল পর্যন্ত নৌকাবাইচ প্রতিযোগিতা হয়। অনুষ্ঠান উদ্বোধন ও বিজয়ীদের মধ্যে পুরস্কার বিতরণ করেন ঢাকাস্থ চৌহালী উপজেলা কল্যাণ সমিতির সভাপতি নজরুল ইসলাম।

ঈদের আনন্দের সঙ্গে নৌকাবাইচ উপভোগ করতে উপজেলার বিভিন্ন গ্রাম থেকে জড়ো হন হাজারো মানুষ। অনেকে ছোট ছোট নৌকা নিয়ে নদীতে ঘুরে নৌকাবাইচ উপভোগ করেন।

নৌকাবাইচে দুটি করে মোট ২২টি নৌকা অংশ নেয়। বিজয়ী ১১টি নৌকার মধ্যে তিনটিকে ফ্রিজ ও আটটিকে একটি করে ২১ ইঞ্চি রঙিন টিভি পুরস্কার দেওয়া হয়।

অনুষ্ঠানে সাবেক শিক্ষাসচিব হুমায়ুন খালিদ, চৌহালী উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি নওজেস আলী মোল্লা, বাঘুটিয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়াম্যান আব্দুল কাহ্হার সিদ্দিকী, ইউপি চেয়ারম্যান আব্দুল মতিন মণ্ডল, শিল্পপতি আব্দুল মতিন প্রধান, মোখলেছুর রহমান উপস্থিত ছিলেন।

© সিরাজগঞ্জ প্রতিদিন

জেলা ফুটবল দলের খেলোয়ার দিনার সড়ক দূর্ঘটনায় গুরুতর আহত

স্থানীয় প্রতিবেদক :  সিরাজগঞ্জ জেলা ফুটবল দলের খেলোয়ার তামিউল করিম দিনার (২৪) সড়ক দূর্ঘটনায় গুরুতর আহত।

গত শুক্রবার বিকালে উল্লাপাড়া কুচিয়ামার কলেজ মাঠে ফাইনাল খেলা শেষে সিরাজগঞ্জে বাড়ী ফেরার পথে সন্ধায় সলঙ্গা থানার দবিরগঞ্জ মহাসড়কে রাস্তা পাড়া পাড়ের সময় পিছন থেকে আসা একটি প্রাইভেট গাড়ীর সাথে ধাক্কা লাগলে তার বাম পা ভেঙ্গে যায়।

স্থানীয়রা সাথে সাথে সিরাজগঞ্জ রোড় সাখাওয়াত এইস মেমরিয়াল হসপিটালে নিয়ে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়ার পরে রাতেই সিরাজগঞ্জ প্রাইম হাসপাতালে ভর্তি করানো হয়েছে।

প্রত্যক্ষদোষীরা জানা শুক্রবার বিকালে উল্লাপাড়া
কয়রা একাদশের হয়ে খেলে কুচিয়ামারা কলেজ মাঠে ফাইনাল খেলায় দিনার গোল করে নিজ দল কে চ্যাম্পিয়ন করে আনন্দের সাথে বাড়ী ফেরার সময় সন্ধায় দবিরগঞ্জ মহাসড়কে রাস্তা পাড়া পাড়ের সময় বেপরোয়া প্রাইভেট গাড়ীর চালক পিছন থেকে ধাক্কা দিয়ে চলে যায় আমরা বুঝতে পেয়ে কাছে গিয়ে ক্ষত স্থানে পানি ঢেলে হাসপাতালে নিয়ে যাই। পরে শুনি তার বাম পা ভেঙ্গে গেছে।
প্রাইম হাসপাতালের কতব্যরত চিকিৎসক ডাঃ জাহিদুল ইসলাম জনানা বাম পায়ের হাটুর নিচে হাড় ভেঙ্গে গেলে । আমরা চিকিৎসকগণ দিনারের অস্ত্রপাচার সফল ভাবে সম্পূর্ন করি। তবে এখন থেকে তাকে এক মাস বিশ্রামে থাকতে হবে। তার পরে আস্তে আস্তে মাঠে খেলতে পারবে।
তামিরুল ইসলাম দিনার মাছুমপুর ক্রীড়া চক্রের একজন  নিয়মিত খেলোয়ার। দিনার দ্রুত সুস্থ হয়ে যেন আবার মাঠে ফিরে আসতে পারে সে জন্য সিরাজগঞ্জ জেলা ক্রীড়া সংস্থার ফুটবল উপ কমিটির সম্পাদক মোঃ কামরুল হাসান হিলটন ও মাছুমপুর ক্রীড়া চক্রের সকল কর্মকর্তাগণ সিরাজগঞ্জ জেলাবাসীর কাছে দোয়া কামনা করেছে।