সিরাজগঞ্জ প্রতিদিন

সিরাজগঞ্জের সবচেয়ে জনপ্রিয় বাংলা অনলাইন নিউজ সাইট

বঙ্গবন্ধু বহুমুখি সেতু

যমুনা সেতু তথা যমুনা বহুমুখী সেতু বাংলাদেশের যমুনা নদীর উপরে অবস্থিত একটি সড়ক ও রেল সেতু। এর দৈর্ঘ্য ৪.৮ কিলোমিটার। এটি বাংলাদেশ এবং দক্ষিণ এশিয়ার দীর্ঘতম সেতু। ১৯৯৮ সালে এর নির্মাণ কাজ শেষ হয়। ইহা যমুনা নাদীর পূর্ব তীরের ভূয়াপুর এবং পশ্চিম তীরের সিরাজগঞ্জকে সংযুক্ত করে। এইটি বিশ্বে ১১তম এবং দক্ষিণ এশিয়ার ৬ষ্ঠ দীর্ঘতম সেতু।

ইলিয়ট ব্রিজ

ইলিয়ট ব্রিজ সিরাজগঞ্জ শহরের কাটা খালের উপরে লোহা ও সিমেন্টের সমন্বয়ে তৈরী। সিরাজগঞ্জ শহরকে দেখার জন্য কাঁটাখালের উপরে প্রায় ৩০ ফুট উঁচু করে ইংরেজ এসডিও মিঃ বিটসন বেল আই, সি, এস, সাহেব ১৮৯৫ সনে ৪৫,০০০ টাকা খরচ করে বাংলার তৎকালিন ছোট লাট স্যার আল ফ্রেড ইলিয়ট সাহেবের নামানুসারে এই ব্রিজ তৈরী করেছিলেন। নামানুসারে এই ব্রিজ তৈরী করেছিলেন।

Showing posts with label সম্পাদকীয়. Show all posts
Showing posts with label সম্পাদকীয়. Show all posts

Friday, November 3, 2017

নতুন প্রজন্মকে মনসুর আলীর ত্যাগের আদর্শে উজ্জীবিত করতে হবে

সিরাজগঞ্জঃ
মন্ত্রীত্বের লোভকে দূরে ঠেলে দিয়ে নির্মম মৃত্যুকে বরণ করে নিয়ে মহান আত্মত্যাগের বিরল দৃষ্টান্ত স্থাপন করে গেছেন শহীদ এম মনসুর আলী। তিনি বঙ্গবন্ধুর রক্তের সাথে বেঈমানী করেন নি। তাঁর এই ত্যাগের আদর্শে নতুন প্রজন্মকে উজ্জীবিত করে দেশ গড়ার কাজে উদ্বুদ্ধ করতে হবে।

শুক্রবার (৩ নভেম্বর) সকালে সিরাজগঞ্জ পৌর এলাকার বাজার স্টেশন মুক্তির সোপান চত্বরে জাতীয় নেতা শহীদ এম মনসুর আলীর স্মরণে আলোচনা সভায় বক্তারা আরও বলেন, স্কুল কলেজের শিক্ষার্থীদেরকে শহীদ এম মনসুর আলীর জীবন-আদর্শ জানাতে হবে। তাঁর আদর্শে উজ্জীবিত করে শেখ হাসিনার ডিজিটাল বাংলাদেশের কর্মী হিসেবে গড়ে তুলতে হবে।

জেলা প্রশাসনের আয়োজনে প্রথমবারের মত শহীদ এম মনসুর আলীর শাহাদত বার্ষিকী পালন উপলক্ষে রেলী, আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়।

জেলা প্রশাসক কামরুন নাহার সিদ্দিকার সভাপতিত্বে স্মরন সভায় বক্তব্য রাখেন, পুলিশ সুপার মিরাজ উদ্দিন আহম্মেদ, সিভিল সার্জন ডা. মনজুর রহমান, স্থানীয় সরকার বিভাগের উপ-পরিচালক আবু নূর মো: শামছুজ্জামান,  জেলা পরিষদের প্রধান নির্বাহী আবু জাফর, স্থানীয় সরকার বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী রবিউল ইসলাম, পৌর মেয়র সৈয়দ আব্দুর রউফ মুক্তা, চেম্বার অব কমার্সের প্রেসিডেন্ট আবু ইউসুফ সূর্য্য, জেলা আওয়ামীলীগের সহ-সভাপতি এড. কে এম হোসেন আলী হাসান, এড. বিমল কুমার দাস, হাজী ইসহাক আলী প্রমুখ।

Wednesday, September 21, 2016

সরকারি হাসপাতালে চিকিৎসক, নার্স, কর্মকর্তা-কর্মচারীদের উপস্থিতি নিশ্চিত করার জন্য বায়োমেট্রিক।


পরীক্ষিৎ চৌধুরী তথ্য অফিসার স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ঃ
সরকারি হাসপাতালে চিকিৎসক, নার্স, কর্মকর্তা-কর্মচারীদের উপস্থিতি নিশ্চিত করার জন্য বায়োমেট্রিক মেশিন ব্যবহার বাধ্যতামূলক করতে সংশ্লিষ্টদের নির্দেশ দিয়েছেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী মোহাম্মদ নাসিম। হাসপাতালে অনুপস্থিতির কোনো অভিযোগ পেলে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাসহ হাসপাতাল পরিচালক, সিভিল সার্জন এবং উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তাকেও দায়ী করা হবে বলে তিনি জানিয়েছেন।

আজ সচিবালয়ে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে অনুষ্ঠিত সরকারি জেলা ও উপজেলা হাসপাতালের সার্বিক ব্যবস্থাপনার মান উন্নয়ন সংক্রান্ত সভায় সভাপতিত্বকালে তিনি এই নির্দেশ প্রদান করেন।

স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, জনগণের জন্য মানসম্মত স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতে সরকারের কর্মসূচির সাফল্য নির্ভর করে চিকিৎসক ও নার্সদের শতভাগ সেবার উপর। এক্ষেত্রে কোনো ধরনের অবহেলা মেনে নেওয়া যায় না। কর্মস্থলে অনুপস্থিত থেকে সাধারণ মানুষকে চিকিৎসা দিতে সবাইকে সচেষ্ট থাকতে হবে। পাশাপাশি হাসপাতাল এলাকায় দালাল উৎখাতে কঠোর পদক্ষেপ নেওয়ার জন্য সকল পরিচালককে নির্দেশ দেন তিনি। এ সময় মন্ত্রী সরকারি হাসপাতালের আশেপাশে বেসরকারি ক্লিনিক ও ডায়াগনস্টিট সেন্টার স্থাপন নিরুৎসাহিত করে নীতিমালা প্রণয়নেরও তাগিদ দেন।

হাসপাতালের ইউজার ফি বন্টন ও ব্যবহার সম্পর্কে আগামী এক মাসের মধ্যে একটি নীতিমালার খসড়া প্রণয়ন করতে মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব হারুন-উর-রশীদ খান-এর নেতৃত্বে একটি কমিটি গঠনের নির্দশ দিয়েছেন মন্ত্রী।

সভায় আউটসোর্সিং এর মাধ্যমে হাসপাতালের বর্জ্য নিষ্কাশন ব্যবস্থাপনার আধুনিকায়ন এবং নিরাপত্তা ও পরিচ্ছন্ন কর্মী নিয়োগ প্রসঙ্গেও আলোচনা করা হয়।

সভায় অন্যান্যের মাঝে মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব বিমান কুমার সাহা এনডিসি, স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. আবুল কালাম আজাদসহ মন্ত্রণালয় ও অধিদপ্তরের ঊর্দ্ধতন কর্মকর্তাগণ এবং বিভিন্ন সরকারি হাসপাতালের পরিচালকবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।