সিরাজগঞ্জ প্রতিদিন

সিরাজগঞ্জের সবচেয়ে জনপ্রিয় বাংলা অনলাইন নিউজ সাইট

বঙ্গবন্ধু বহুমুখি সেতু

যমুনা সেতু তথা যমুনা বহুমুখী সেতু বাংলাদেশের যমুনা নদীর উপরে অবস্থিত একটি সড়ক ও রেল সেতু। এর দৈর্ঘ্য ৪.৮ কিলোমিটার। এটি বাংলাদেশ এবং দক্ষিণ এশিয়ার দীর্ঘতম সেতু। ১৯৯৮ সালে এর নির্মাণ কাজ শেষ হয়। ইহা যমুনা নাদীর পূর্ব তীরের ভূয়াপুর এবং পশ্চিম তীরের সিরাজগঞ্জকে সংযুক্ত করে। এইটি বিশ্বে ১১তম এবং দক্ষিণ এশিয়ার ৬ষ্ঠ দীর্ঘতম সেতু।

ইলিয়ট ব্রিজ

ইলিয়ট ব্রিজ সিরাজগঞ্জ শহরের কাটা খালের উপরে লোহা ও সিমেন্টের সমন্বয়ে তৈরী। সিরাজগঞ্জ শহরকে দেখার জন্য কাঁটাখালের উপরে প্রায় ৩০ ফুট উঁচু করে ইংরেজ এসডিও মিঃ বিটসন বেল আই, সি, এস, সাহেব ১৮৯৫ সনে ৪৫,০০০ টাকা খরচ করে বাংলার তৎকালিন ছোট লাট স্যার আল ফ্রেড ইলিয়ট সাহেবের নামানুসারে এই ব্রিজ তৈরী করেছিলেন। নামানুসারে এই ব্রিজ তৈরী করেছিলেন।

Showing posts with label রাজধানী. Show all posts
Showing posts with label রাজধানী. Show all posts

Thursday, April 23, 2015

মাহি-তাবিথের থার্টি ফার্স্ট কেলেঙ্কারি, তোলপাড় অনলাইনে

এবার অনলাইনে ছড়িয়ে পড়েছে মাহি বি চৌধুরী
ও তাবিথ আউয়ালের অতীত কীর্তি। ২০০৪
সালের থার্টি ফার্স্ট নাইটে গুলশান এলাকায় সৃষ্ট
বিশৃংক্ষলায় মাহী-তাবিথের সম্পৃক্ততার ছবি প্রকাশিত
হওয়ার পরে এটিই এখন আলোচনার গরম বিষয়।
সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনের এক সপ্তাহেরও কম
সময় আগে এই ছবি প্রকাশিত হলো। মাহী ও তাবিথ
দুইজনই ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনে
মেয়র পদে লড়ছেন।
বৃহস্পতিবার সকাল থেকে সামাজিক যোগাযোগ
মাধ্যম ফেসবুকে একটি পেপার কাটিং ছড়িয়ে পড়তে
থাকে। ঘটনাটি ২০০৪ সালের থার্টি ফার্স্ট নাইটের। ২
জানুয়ারি, ২০০৫ তারিখের দৈনিক ‘সংবাদ’ পত্রিকার ঐ কাটিং
থেকে দেখা যায় ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশন
মেয়র নির্বাচনে প্রার্থী বিএনপি সমর্থিত তাবিথ
আউয়াল ও বিকল্প ধারা সমর্থিত মাহি বি চৌধুরী ওই রাতে
গুলশানের টপকাপি রেস্তোরাতে একটি ড্যান্স
পার্টিতে যোগ দিতে যান। সেখানেই তারা জড়িয়ে
পড়েন সাংবাদিক ও স্থানীয়দের সাথে বিশৃংক্ষলা ও
মারামারিতে। পরের পুলিশের তল্লাশীতে
বেরিয়ে আসে উচ্ছৃংক্ষলতা ও অবৈধভাবে
মদ্যপানের ঘটনা।
সংবাদ-এর খবরের সাথে আধুনিক পোশাক পরিহিতা
তরুণীর সাথে তাদের ছবি ছাপা হয়েছিল।
ঐ রিপোর্ট থেকে দেখা গেছে, থার্টি ফার্স্ট
নাইটে গুলশানের টপকাপি রেস্তোরাতে
তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার উপদেষ্টা
আব্দুল আউয়াল মিন্টুর ছেলে তাবিথ আউয়াল সহ বিশ
জন শিল্পপতির ছেলে-মেয়েরা একটি ড্যান্সপার্টির
আয়োজন করে। এই আয়োজনের জন্য
কোনো অনুমতিও নেয়া হয়নি। মাহী বি চৌধুরীও
সেখানে উপস্থিত ছিলেন। অনুমতি ব্যতিরেকেই
সেই অনুষ্ঠানে মাদক দ্রব্যও বিক্রি করা হয়।
ড্যান্সপার্টি চলাকালে বেসামাল হয়ে অতিথিদের একাংশ
সাংবাদিকদের উপরে চড়াও হন। বিশৃংক্ষলার খবর
পেয়ে পুলিশের জনৈক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা
সেখানে গিয়ে অনুষ্ঠান বন্ধ করা সত্ত্বেও
ড্যান্সপার্টিটি চলতে থাকে। ফটো সাংবাদিকরা সেই
দৃশ্যের ছবি তুলতে গেলে অতিথিরা আবার
সাংবাদিকদের উপরে চড়াও হন। মারামারির ফলে সাতটি
সংবাদ মাধ্যমের ক্যামেরা ক্ষতিগ্রস্থ হয়। অনুমতি না
থাকায় পরে পুলিশ অনুষ্ঠানটি বন্ধ করে দেয়। এসময়
তল্লাশী চালিয়ে কয়েকশো বোতল বিদেশী
মদ আটক করে।
‘সংবাদ’ পত্রিকার ওই প্রতিবেদন আরো জানা
গেছে, আয়োজক তাবিথ আউয়াল ক্ষতিগ্রস্থ
ক্যামেরার জন্য ক্ষতিপূরণের আশ্বাস দিলে
পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসে।
এবারের সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনে সৎ ও ক্লিন
ইমেজের প্রার্থীদের দিকেই ভোটারদের
ঝোঁক লক্ষ্য করা গেছে। এমন অবস্থায় দুই
প্রতিদ্বন্দ্বী মেয়র প্রার্থী মাহী ও তাবিথের
এই অতীত কীর্তি নতুন করে সামনে আসাতে
ভোটারদের প্রতিক্রিয়া কি হবে তা নিয়ে চলছে
তুমুল আলোচনার ঝড়।