সিরাজগঞ্জ প্রতিদিন

সিরাজগঞ্জের সবচেয়ে জনপ্রিয় বাংলা অনলাইন নিউজ সাইট

বঙ্গবন্ধু বহুমুখি সেতু

যমুনা সেতু তথা যমুনা বহুমুখী সেতু বাংলাদেশের যমুনা নদীর উপরে অবস্থিত একটি সড়ক ও রেল সেতু। এর দৈর্ঘ্য ৪.৮ কিলোমিটার। এটি বাংলাদেশ এবং দক্ষিণ এশিয়ার দীর্ঘতম সেতু। ১৯৯৮ সালে এর নির্মাণ কাজ শেষ হয়। ইহা যমুনা নাদীর পূর্ব তীরের ভূয়াপুর এবং পশ্চিম তীরের সিরাজগঞ্জকে সংযুক্ত করে। এইটি বিশ্বে ১১তম এবং দক্ষিণ এশিয়ার ৬ষ্ঠ দীর্ঘতম সেতু।

ইলিয়ট ব্রিজ

ইলিয়ট ব্রিজ সিরাজগঞ্জ শহরের কাটা খালের উপরে লোহা ও সিমেন্টের সমন্বয়ে তৈরী। সিরাজগঞ্জ শহরকে দেখার জন্য কাঁটাখালের উপরে প্রায় ৩০ ফুট উঁচু করে ইংরেজ এসডিও মিঃ বিটসন বেল আই, সি, এস, সাহেব ১৮৯৫ সনে ৪৫,০০০ টাকা খরচ করে বাংলার তৎকালিন ছোট লাট স্যার আল ফ্রেড ইলিয়ট সাহেবের নামানুসারে এই ব্রিজ তৈরী করেছিলেন। নামানুসারে এই ব্রিজ তৈরী করেছিলেন।

Showing posts with label আন্তর্জাতিক. Show all posts
Showing posts with label আন্তর্জাতিক. Show all posts

Thursday, July 27, 2017

বিশ্বের ৫০ মহান নেতার মধ্যে শেখ হাসিনা দশম

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বিশ্বের মহান ৫০ জন নেতার তালিকা প্রকাশ করেছে যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কভিত্তিক ব্যবসা-বাণিজ্যবিষয়ক সাময়িকী ফরচুন। এর মধ্যে ২৩ জনই নারী। সার্বিক তালিকায় ১০ নম্বরে রয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
ফরচুন সাময়িকীর নিজস্ব ওয়েবসাইটে গতকাল বৃহস্পতিবার তালিকাটি প্রকাশ করা হয়। এতে স্থান পেয়েছেন রাজনীতিবিদ, ব্যবসায়ী, মানবহিতৈষী, শিল্পীসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার এমন সব মানুষ, যাঁরা বিশ্বকে বদলে দিতে নিজেরা ভূমিকা রেখে চলেছেন; একই কাজে অন্যদের অনুপ্রাণিত করছেন।
তালিকায় ১ নম্বরে রয়েছেন অনলাইনে কেনাকাটার জনপ্রিয় মার্কিন ওয়েবসাইট আমাজন ডট কমের প্রধান নির্বাহী (সিইও) জিফ্রে প্রিস্টন বেজস। তারপরের দুজনই নারী। ২ নম্বরে রয়েছেন জার্মানির চ্যান্সেলর আঙ্গেলা ম্যার্কেল; ৩ নম্বরে আছেন মিয়ানমারে শিগগিরই সরকার গঠন করতে যাওয়া দল ন্যাশনাল লিগ ফর ডেমোক্রেসির (এনএলডি) নেতা অং সান সু চি।
তালিকার প্রথম ১০ জনের মধ্যে পাঁচজনই নারী। ম্যার্কেল ও সু চি ছাড়া অন্য তিনজন হলেন জাতিসংঘের জলবায়ু পরিবর্তনবিষয়ক কাঠামো সনদের নির্বাহী সচিব ক্রিস্টিনা ফিগুয়েরেস (৭ নম্বর), মার্কিন সুপ্রিম কোর্টের সহযোগী বিচারক রুথ ব্যাডার গিনসবার্গ (৯ নম্বর) ও বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
শেখ হাসিনার বিষয়ে ফরচুন বলেছে, তিনি নিজ দেশে নারীদের অধিকার এগিয়ে নিতে কাজ করে যাচ্ছেন। দেশের নারীদের জন্য আইনগত সুরক্ষা নিশ্চিত করেছেন। পাশাপাশি তিনি নারীদের অধিকতর শিক্ষা, আর্থিক স্বাধীনতা ও রাজনৈতিক ক্ষমতা দিতে কাজ করছেন।
ফরচুন-এর তালিকায় স্থান পাওয়া অন্য নারীদের মধ্যে রয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের সাউথ ক্যালিফোর্নিয়া অঙ্গরাজ্যের রিপাবলিকান গভর্নর নিকি হ্যালি (১৭) ও নারীদের কম্পিউটার বিজ্ঞানে উৎসাহিত করতে কাজ করা অলাভজনক প্রতিষ্ঠান ‘গার্লস হু কোড’-এর সিইও রেশমা সৌজানি (২০)। রেশমা ডেমোক্রেটিক রাজনীতির সঙ্গেও জড়িত। দুজনই ভারতীয় বংশোদ্ভূত মার্কিন নাগরিক।
এর বাইরে যুক্তরাষ্ট্রের নারী স্কাউটের সিইও আনা মার্সিয়া চাভেজ (২৪), মার্কিন কংগ্রেসের গ্রন্থাগারের প্রথম আফ্রিকান-আমেরিকান প্রধান কার্লা হেইডেন (২৫), কৃষ্ণাঙ্গদের অধিকার রক্ষার আন্দোলন ‘ব্ল্যাক লাইভস ম্যাটার’-এর তিন যৌথ প্রতিষ্ঠাতা অ্যালিসিয়া গার্জা, প্যাট্রিসিয়া কিউলরস ও ওপাল টোমেটি (২৭ নম্বর) ও চীনের ফ্রিল্যান্স সাংবাদিক চাই জিং (২৮) ফরচুন-এর তালিকায় স্থান পেয়েছেন।

Saturday, June 3, 2017

শান্তি স্থাপনে শেখ হাসিনার কোনো বিকল্প নেইঃ স্বাস্থ্যমন্ত্রী মোহাম্মদ নাসিম

সিরাজগঞ্জ: স্বাস্থ্যমন্ত্রী মোহাম্মদ নাসিম বলেছেন, বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনার দূরদর্শী রাষ্ট্র পরিচালনায় দেশ সমৃদ্ধির পথে এগিয়ে যাচ্ছে।
শনিবার (০৩ জুন) সিরাজগঞ্জে নির্মাণাধীন শহীদ এম মনসুর আলী মেডিকেল কলেজের কাজের অগ্রগতি পরিদর্শন এবং জেলা আইনশৃঙ্খলা কমিটির সভায় যোগদান শেষে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে এ কথা বলেন তিনি।
নাসিম বলেন, মানুষের মাথাপিছু আয় বেড়েছে, প্রবৃদ্ধির হারও বেড়েছে, জঙ্গি দমন করা হয়েছে। দেশে রাজনৈতিক স্থিতিশীলতার কারণে শান্তি প্রতিষ্ঠিত হয়েছে।
মন্ত্রী বলেন, সরকার পদ্মাসেতু নির্মাণসহ দেশে উন্নয়নের বিশাল কর্মযজ্ঞ শুরু করেছেন। এরই ধারাবাহিকতায় সিরাজগঞ্জের পৌনে সাতশ’ কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মাণ করা হচ্ছে শহীদ এম মনসুর আলী মেডিকেল কলেজ।
এছাড়া সিরাজগঞ্জে যমুনা নদী শাসন, স্বাস্থ্য বিভাগের আড়াইশ’ শয্যার হাসপাতাল ভবন, আইএইচটি ভবন, রাস্তাঘাট শিক্ষা প্রতিষ্ঠানসহ হাজার কোটি টাকার নির্মাণ প্রকল্প প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার অবদান।
জেলা প্রশাসক কামরুন্নাহার সিদ্দিকার সভাপতিত্বে এসময় আরও উপস্থিত ছিলেন- জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান আব্দুল লতিফ বিশ্বাস, অধ্যাপক ডা. হাবিবে মিল্লাত মুন্না এমপি, হাসিবুর রহমান স্বপন এমপি, আমজাদ হোসেন মিলন এমপি, সেলিনা বেগম স্বপ্না এমপি, পুলিশ সুপার মিরাজ উদ্দিন আহম্মেদ ও সিভিল সার্জন ডা. শেখ মো. মনজুর রহমান প্রমুখ।
এর আগে দুপুরে মন্ত্রী শহীদ এম মনসুর আলী মেডিকেল কলেজের নির্মাণকাজ পরির্দশন করেন।

Friday, January 27, 2017

নাতি-নাতনিদের নিয়ে ভ্যানে ঘুরলেন প্রধানমন্ত্রী

টুঙ্গিপাড়া: হাস্যোজ্জ্বল প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। কোলে তার এক নাতি। পাশে আরেক নাতনি। রয়েছেন ভাগ্নে (ছোট বোন শেখ রেহানার ছেলে) রেদওয়ান মুজিব সিদ্দিক ববি ও তার স্ত্রী পেপি।
পরিবারের এ সদস্যদের নিয়ে ভ্যানে টুঙ্গিপাড়ার বিভিন্ন এলাকা ঘুরলেন বাংলাদেশের সরকারপ্রধান।
গোপালগঞ্জ সফররত প্রধানমন্ত্রী শুক্রবার (২৭ জানুয়ারি) ভ্যানে চড়ে এ ভ্রমণে বের হন।

Tuesday, January 17, 2017

সাবেক প্রধান মন্ত্রী ও অন্যতম জাতীয় নেতা শহীদ এম মনসুর আলীর জন্মশত বার্ষিকী পালিত

নিজস্ব প্রতিনিধিঃ
শহীদ এম মনসুর আলী ছিলেন এক জন খাঁটি বাঙ্গালী। এক জন খাঁটি দেশ প্রেমিক রাজনৈতিক ব্যাক্তিত্ব। সাধারন মানুষের প্রতি তাঁর ছিল অকৃত্রিম ভালোবাসা। এই মহান নেতার শততম জন্ম বার্ষিকী পালন এক ঐতিাসিক ঘটনা।
১৯৭৫-এর রাজনৈতিক পটপরিবর্তনে জাতির জনক বঙ্গবন্ধুর মতো আরো একজন শ্রেষ্ঠ সন্তানকে হারিয়েছে। রাজনীতির এ শূন্যতা পূরণ হবার নয়। শহীদ এম মনসুর আলীর শততম জন্ম বার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত বিশাল জনসমাবেশে স্বাস্থ্য মন্ত্রী মোহাম্মদ নাসিম এসব কথা বলেছেন।
প্রধান বক্তা শহীদ এম মনসুর আলীর রাজনৈতিক উত্তরসুরী স্বাস্থ্য মন্ত্রী মোহাম্মদ নাসিম তাঁর পিতার প্রতি এ অঞ্চলের মানুষের ভালবাসায় আবেগ আপ্লুত হয়ে গর্ববোধ করে বলেছেন- আমার শহীদ পিতা জাতির জনক বঙ্গবন্ধু এবং দেশের সাথে বেঈমানী করেননি, তা তিনি জীবন দিয়ে প্রমাণ করেছেন। শহীদ এম মনসুর আলীর কাজীপুর এখনও নৌকার ঘাটি।
তার শহীদ পিতার জন্য তিনি গর্ববোধ করে বলেছেন “বাবার শেষ বারের মতো মুখটাও দেখতে পারিনি। তারপরও এই মহান ব্যাক্তির সন্তান হিসেবে আমি গর্বিত।
এর আগে শিল্প মন্ত্রী আমির হোসেন আমু সহ কুড়িপাড়ায় শহীদ এম মনসুর আলীর ভিটে বাড়িতে দোয়া ও মিলাদ মাহফিলে অংশ নেন।
প্রধান অতিথি শিল্পমন্ত্রী আমির হোসেন আমু শহীদ এম মনসুর আলীর স্মৃাতির প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করে ১৯৭৫ সালে ঢাকার কেন্দ্রীয় কারাগারে কি নির্মমভাবে শহীদ এম মনসুর আলীসহ জাতীয় চার নেতা হত্যা করা হয়েছিল তার সংক্ষিপ্ত বর্ণনা দিয়ে দেন। তিনি আরো বলেছেন, বাংলার ইতিহাসে যে মহাপুরুষগণ তাদের অসামান্য কৃর্তিও জন্য অবিস্মরনীয় হয়ে রয়েছেন, স্বাধীনতা ও মুক্তিযুদ্ধে অসাধারণ ও সফল সংগঠক, জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মজিবুর রহমানের ঘনিষ্ট সহচর জাতীয় চার নেতার অন্যতম স্বাধীন বাংলাদেশের প্রধান মন্ত্রী শহীদ এম মনসুর আলী ছিলেন।
মনসুর আলীর সঙ্গে জাতির জনক বঙ্গবন্ধুর সখ্যতা, অবিচল আস্থা ও বিশ্বাস ছিল নজির বিহীন। এ জন্যই বঙ্গবন্ধু শহীদ এম মনসুর আলীকে দেশের প্রধান মন্ত্রীত্বসহ ১৬ টি মন্ত্রনালয়ের দায়িত্ব দিয়েছিলেন। তাই জাতীয় নেতা, সাবেক প্রধান মন্ত্রী শহীদ এম মনসুর আলীর শততম জন্ম বার্ষিকী পালন একটি ঐতিহাসিক ঘটনা।
শহীদ এম মনসুর আলীর শততম জন্ম বার্ষিকীতে তাঁর নির্বাচনী এলাকায় শহীদ মনসুর আলী কল্যাণ ট্রাষ্ট, মনসুর আলী স্মৃতি সংসদ, মনসুর আলী পরিষদ সহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান ২দিন ব্যাপী নানা কর্মসূচি পালন করেছে। এলাকার বিভিন্ন সড়ক সমূহে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু, শহীদ এম মনসুর আলী, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, আমির হোসেন আমু এবং মোহাম্মদ নাসিমের ছবি দিয়ে নির্মাণ করা হয়েছিল রং বেরঙের তোরণ। কাজীপুরের ইউনিয়ন, গ্রাম থেকে বাদ্যযন্ত্র বাজিয়ে উৎসবের আমেজে দলীয় নেতাকর্মীসহ মনসুর ভক্ত সাধারন মানুষ দলে দলে এসে জনসমাবেশে যোগ দেন। বিকেল তিনটার মধ্যেই গান্ধাইল হাই স্কুল মাঠ কানায কানায় বরে যায়।
জনসমাবেশ যেন জনসমুদ্রে রুপ নেয়। সিরাজগঞ্জ সদরের কুড়িপাড়ায় শহীদ এম মনসুর আলীর জন্ম হলেও কাজীপুর তাঁর নির্বাচনী এলাকা হওয়ায় জন্ম শত বার্ষিকীতে গোটা কাজীপুরের মানুষ বিপুল উৎসাহ উদ্দীপনার মধ্য দিয়ে তা পালন করেছেন। গোটা কাজীপুরেই ছিল উৎসবের আমেজে মূখর।
শহীদ মনসুর আলী স্মৃতি সংসদ আয়োজিত এ বিশাল জনসমাবেশে সভাপতিত্ব করেন সংসদের আহবায়ক ও সিরাজগঞ্জ চেম্বার কমার্স এন্ড ইন্ডাষ্ট্রি’র প্রেসিডেন্ট আবু ইউসুফ সুর্য্য। জনসমাবেশে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন শিল্পমন্ত্রী আমির হোসেন আমু, প্রধান বক্তা স্বাস্থ্য মন্ত্রী মোহাম্মদ নাসিম। বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান ও জেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি আব্দুল লতিফ বিশ্বাস, ভারপ্রাপ্ত সাধারন সম্পাদক অধ্যাপক ডাঃ হাবিবে মিল্লাত মুন্না এমপি, গাজী আমজাদ হোসেন মিলন এমপি, বেগম লায়লা নাসিম সাবেক এমপি তানভীর শাকিল জয়, সেলিনা বেগম স্বপ্না এমপি, অ্যাডভোকেট কে,এম হোসেন আলী হাসান ও বগুড়া জেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি মমতাজ উদ্দিন প্রমুখ।

Tuesday, October 11, 2016

সিরাজগঞ্জে হচ্ছে ন্যাশনাল হার্ট ফাউন্ডেশন – মহাসচিবের চিঠি

অনলাইন ডেস্ক রিপোর্টঃ
ন্যাশনাল হার্ট ফাউন্ডেশন অব বাংলাদেশ এন্ড রিচার্স ইন্সটটিউটের এফিলিয়েটেড বডি অর্থ্যৎ ন্যাশনাল হার্ট ফাউন্ডেশন, সিরাজগঞ্জ স্থাপনের প্রয়োজনীয়তা বিবেচনা করে এটি স্থাপন বিষয়ে আলোচনা সাপেক্ষে এই ফাউন্ডেশন স্থাপনের বিভিন্ন নিয়মাবলি উল্লেখপূর্বক ইচ্ছাপোষন ও দ্রুত স্থাপনের আহ্বান জানিয়ে ন্যাশনাল হার্ট ফাউন্ডেশন, সিরাজগঞ্জ স্থাপন উদ্যোগের প্রধান উদ্যোক্তা আলহাজ্ব অধ্যাপক ডাঃ মোঃ হাবিবে মিল্লাত মুন্না এমপি’কে জরুরি চিঠি প্রদান করেছে ন্যাশনাল হার্ট ফাউন্ডেশন অব বাংলাদেশ এর মহাসচিব আব্দুল আউয়াল রিজভি। গত ৩ই অক্টোবর সোমবার ন্যাশনাল হার্ট ফাউন্ডেশন অব বাংলাদেশ এন্ড রিচার্স ইন্সটটিউটের মহাসচিবের পক্ষ থেকে এই চিঠি প্রেরন করা হয়। ন্যাশনাল হার্ট ফাউন্ডেশন, সিরাজগঞ্জ স্থাপনের নির্দেশনাসহ ন্যাশনাল হার্ট ফাউন্ডেশন অব বাংলাদেশ এন্ড রিচার্স ইন্সটটিউটের মহাসচিবের চিঠি প্রাপ্তির বিষয়টি নিশ্চিত করে আলহাজ্ব অধ্যাপক ডাঃ মোঃ হাবিবে মিল্লাত মুন্না এমপি জানান, দীর্ঘদিন যাবৎ যমুনা পাড়ের ৩৩ লক্ষ মানুষ অধ্যষিত শহর ও উত্তরবঙ্গের বিশাল জনগোষ্ঠির মানুষের হৃদরোগের চিকিৎসা সম্পর্কিত বিভিন্ন বিষয়ে চিন্তাভাবনা করে উত্তরবঙ্গের প্রবেশদ্বার সিরাজগঞ্জে ন্যাশনাল হার্ট ফাউন্ডেশন অব বাংলাদেশ এর এফিলিয়েটেড বডি অর্থ্যৎ ন্যাশনাল হার্ট ফাউন্ডেশন, সিরাজগঞ্জ স্থাপনের জন্য চেষ্টা করছিলাম। আমার জোরালো প্রচেষ্টা ও দাবির প্রতি সন্মান দেখিয়ে এটি স্থাপনের জন্য গত
গত বছরের ২৮’ই অক্টোবর ন্যাশনাল হার্ট ফাউন্ডেশন অব বাংলাদেশ এন্ড রিচার্স ইন্সটিটিউটের মহাসচিব অধ্যাপক আব্দুল আউয়াল
রিজভি’র সভাপতিত্বে তার অফিসকক্ষে প্রধান উদ্যোক্তা আলহাজ্ব অধ্যাপক ডাঃ মোঃ হাবিবে মিল্লাত মুন্না এমপি উপস্থিতিতে একটি জরুরি সভা অনুষ্ঠিত হয়। এই সভায় উপস্থিত ছিলেন ন্যাশনাল হার্ট ফাউন্ডেশন অব বাংলাদেশ এন্ড রিসার্চ ইন্সটিটিউটের পরিচালক ও প্রকল্প পরিচালক আবুস সোবাহান, ন্যাশনাল হার্ট ফাউন্ডেশন অব বাংলাদেশ এন্ড রিসার্চ ইন্সটিটিউটের উপ-পরিচালক ডাঃ সিদ্দিকুর রহমান, ন্যাশনাল হার্ট ফাউন্ডেশন অব বাংলাদেশ এন্ড রিসার্চ ইন্সটিটিউটের সহকারি প্রকৌশলী তাজ উদ্দিনসহ উদ্ধর্তন কর্মকর্তারা। এই সভায় ন্যাশনাল হার্ট ফাউন্ডেশন, সিরাজগঞ্জ স্থাপনের পক্ষে মতামত দিয়ে ও এটি স্থাপনের ইচ্ছাপোষন করে ন্যাশনাল হার্ট ফাউন্ডেশন অব বাংলাদেশ এন্ড রিসার্চ ইন্সটিটিউটের গৃহিত সিদ্ধান্ত ও বিভিন্ন নিয়মাবলি উল্লেখ করা একটি রেজুল্যেশন আমার বরাবর প্রেরন করা হয়েছে। আলহাজ্ব অধ্যাপক ডাঃ মোঃ হাবিবে মিল্লাত মুন্না এমপি এ সময় আরো বলেন, হৃদরোগ বর্তমান বিশ্বে মহামারির রুপ ধারন করেছে। হৃদরোগে আক্রান্ত সিরাজগঞ্জ তথা উত্তরবঙ্গবাসি শুধুমাত্র দুরত্বের কারনে বিনা চিকিৎসায় মারা যায় নয়তো চিকিৎসা করতে ঢাকায় গিয়ে ভোগান্তিতে পড়তে হয়। এজন্য ন্যাশনাল হার্ট ফাউন্ডেশন, সিরাজগঞ্জ স্থাপন অত্যান্ত জরুরি। এ সময় তিনি আরো বলেন, চিঠিটি পাবার পর এই চিঠির নির্দেশনা অনুযায়ি কাজ শুরু হয়েছে, আশা করছি এই মাসেই ন্যাশনাল হার্ট ফাউন্ডেশন, সিরাজগঞ্জ এর প্রাথমিক কাজ শুরু করা যাবে। এটি শুরু হলে সিরাজগঞ্জের হৃদরোগীরা প্রাথমিক চিকিৎসা সিরাজগঞ্জেই পাবে এ মাস থেকেই। এই রোগের চিকিৎসা সহজলভ্য ও ত্রুটিপূর্ন করতে অতিদ্রুত ন্যাশনাল হার্ট ফাউন্ডেশন, সিরাজগঞ্জ স্থাপনে সিরাজগঞ্জের সকল শ্রেনী-পেশার মানুষের সহযোগিতা কামনা করেন আলহাজ্ব অধ্যাপক ডাঃ মোঃ হাবিবে মিল্লাত মুন্না এমপি।

Monday, October 10, 2016

যমুনায় আলাদা রেলসেতু, খরচ হবে ৯ হাজার ৭শ' ৪১ কোটি টাকা

সংগ্রহঃ
যমুনা নদীতে বিদ্যমান বঙ্গবন্ধু সেতুর ৩০০ মিটার উজানে ৪ দশমিক ৮ কিলোমিটার দীর্ঘের আলাদা ডুয়েল গেজ ডাবল লাইনের রেল সেতু নির্মাণের চিন্তা করছে সরকার। প্রাথমিকভাবে এর ব্যয় ধরা হচ্ছে ৯ হাজার ৭৪১ কোটি টাকা।

জাপানভিত্তিক দাতা সংস্থা জাইকার কাছ থেকে এ অর্থের সিংহভাগ ঋণে হিসেবে পাবে সরকার। শিগগিরিই এই প্রকল্প সংক্রান্ত এক প্রস্তাব পরিকল্পনা কমিশনে পাঠানো হবে বলে রেল বিভাগ সূত্রে জানা গেছে।

জানা গেছে, এই রেল সেতুর এক পাশে টাঙ্গাইল জেলা অন্যপাশে সিরাজগঞ্জ। নতুন এই রেল সেতু নির্মাণ হলে উত্তর অঞ্চলের সঙ্গে সারাদেশের যোগাযোগ ব্যবস্থা আরো উন্নত হবে। একই সঙ্গে রেলের মাধ্যমে ভারি মালামাল পরিবহন সম্ভব হবে। চালু করা যাবে প্রায় বন্ধ হয়ে যাওয়া কন্টেইনার পরিবহন। এতে তৃণমূল পর্যায়ে আর্থিক স্বচ্ছলতা বাড়বে। তাছাড়া নতুন রেল সেতুর মাধ্যমে গ্যাস লাইন যাবে।

প্রস্তাবিত এই রেল সেতুতে আধুনিক সব সুযোগ-সুবিধা বিদ্যমান থাকবে। সেতুর দুই পাশে দুই রেলস্টেশনে স্বয়ংক্রিয় কম্পিউটার বেজড ইন্টারলিংকিং (সিবিআই) সিগন্যালিং ব্যবস্থা থাকবে। সেতু বরাবর গ্যাস পাইপলাইনও থাকবে।

২০২৩ সালের ডিসেম্বরের মধ্যেই সেতুটির কাজ শেষ করতে চায় রেলওয়ে।

রেলপথ বিভাগ সূত্র জানায়, ইতোমধ্যেই প্রকল্প প্রস্তাব তৈরিসহ বেশকিছু কাজ এগিয়ে গেছে। প্রায় পাঁচ কিলোমিটার দীর্ঘ এই সেতু নির্মাণে ব্যয় ধরা হয়েছে ৯ হাজার ৭৪১ কোটি টাকা। প্রকল্পটি বাস্তবায়নে জাপানের আন্তর্জাতিক সহযোগিতা সংস্থা (জাইকা) ৭ হাজার ৭২৪ কোটি টাকা ঋণ দেবে।

জানা যায়, দেশে বর্তমানে ২ হাজার ৮৭৭ কিলোমিটার রেলপথ রয়েছে। রেলের মাস্টারপ্লান অনুযায়ী প্রকল্পের কাজ শেষ হলে রেলপথের দৈর্ঘ্য দাঁড়াবে ৪ হাজার ৭৩০ কিলোমিটারে। বর্তমানে বঙ্গবন্ধু সেতুর ওপর দিয়ে প্রতিদিন গড়ে ২৫ থেকে ২৬টি ট্রেন চলাচল করে। ২০২৩ সাল নাগাদ এই সংখ্যা ৩০ অতিক্রম করবে।

২০৪৩ সালে যমুনা নদীর ওপর দিয়ে ৭০টি ট্রেন চলাচলের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। এর মধ্যে আটটি কন্টেইনার, চারটি পেট্রোলিয়াম ও দুটি খনিজবাহী ট্রেন চলাচল করবে। সবকিছু বিবেচনায় নতুন সেতু অত্যাবশ্যক হয়ে পড়েছে বলে মনে করেন রেল সংশ্লিষ্টরা।

এ প্রসঙ্গে জানতে চাইলে রেল মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব শশী কুমার সিংহ বলেন, বর্তমানে ঝুঁকি নিয়ে বঙ্গবন্ধু সেতুতে ট্রেন চলাচল করছে। সেতুর ওপরে ধীরগতিতে রেলপথে যাতায়াত করতে হয়। এছাড়া আমরা ভারি পণ্য পরিবহন করতে পারছি না। এ কারণে যমুনা নদীতে বঙ্গবন্ধু সেতুর পাশ দিয়ে আলাদা রেল সেতু নির্মাণের সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। সেতুটি নির্মাণে জাইকার ঋণ প্রায় চূড়ান্ত।

তিনি আরো বলেন, প্রকল্পটির প্রস্তাবনা দ্রুত পরিকল্পনা কমিশনে পাঠানো হবে।

Saturday, October 1, 2016

হৃদয় নিংড়ানো ভালোবাসায় সিক্ত হলেন প্রধানমন্ত্রী

কানাডা এবং জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৭১তম অধিবেশনে যোগদান উপলক্ষে যুক্তরাষ্ট্র সফর শেষে দেশে ফিরে জনতার হৃদয় নিংড়ানো ভালোবাসায় সিক্ত হলেন প্রধানমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনা।
বঙ্গবন্ধু কন্যাকে অভ্যর্থনা জানাতে বিমানবন্দর থেকে গণভবন পর্যন্ত পুরো রাস্তায় জনতার ঢল নামে। হর্ষধ্বনি, নানা রকম স্লোগান, নেচে-গেয়ে, ফুল ছিটিয়ে প্রধানমন্ত্রীকে অভ্যর্থনা জানায় তারা। প্রধানমন্ত্রীর সরকারি বাস ভবনে পৌঁছালেও তাঁকে বরণ করা হয় গানে গানে।
শুক্রবার (৩০ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যা ৭টা ৩৫ মিনিটে গণভবনের (মূল ভবন) গেটে আসেন প্রধানমন্ত্রী। গাড়ি থেকে নামলেই তাকে ফুলের শুভেচ্ছা জানান ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. আ আ ম স আরেফিন সিদ্দিক, নন্দিত রবীন্দ্রসংগীত শিল্পী রেজওয়ানা চৌধুরী বন্যা, প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের সচিব সুরাইয়া বেগম।
এ সময় বন্যা প্রধানমন্ত্রীকে উদ্দেশ্য করে গেয়ে ওঠেন, ‘আজি বাংলাদেশের হৃদয় হতে কখন আপনি/তুমি এই অপরূপ রূপে বাহির হলে জননী! ওগো মা, তোমায় দেখে দেখে আঁখি না ফিরে! তোমার দুয়ার আজি খুলে গেছে সোনার মন্দিরে’।
বন্যার গানে গলা মেলালে সুর ছড়িয়ে পড়ে উপস্থিত অন্যদের কন্ঠেও।
এরপর প্রধানমন্ত্রী গণভবনের ভেতরে প্রবেশ করেন। এ সময় আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা দু’পাশে সারিবদ্ধভাবে দাঁড়িয়ে তাকে অভিনন্দন জানান।
গণভবন লবি ফেরিয়ে প্রধানমন্ত্রী সোজা চলে ভেতরে আগে থেকে অপেক্ষমান বিশিষ্টজনদের কাছে যান প্রধানমন্ত্রী।
প্রধানমন্ত্রীকে শিল্পী, কবি, সাহিত্যিক, সাংস্কৃতিকসহ বিশিষ্ট জনরা শুভেচ্ছা জানান।
প্রধানমন্ত্রী বিশিষ্ট জনদের সঙ্গে বেশ কিছুক্ষণ সময় কাটান, তাদের সঙ্গে কুশল বিনিময় করেন।
বিশিষ্টজনরা প্রধানমন্ত্রীর সফল সফর ও পুরস্কার প্রাপ্তির প্রশংসা করেন। প্রধানমন্ত্রীর মঙ্গল কামনা করেন।
দক্ষ রাষ্ট্র পরিচালনা ও বহুমাত্রিক অবদান, বিশেষ করে নারীর ক্ষমতায়নের জন্য জাতিসংঘ পদক ‘প্ল্যানেট ৫০-৫০ চ্যাম্পিয়ন’ ও ‘এজেন্ট অব চেঞ্জ অ্যাওয়ার্ডে’ ভূষিত হওয়ায় তার প্রশংসা করেন।
সফরকালীন কিছু অভিজ্ঞতা বর্ণনা করেন প্রধানমন্ত্রী।
এরই মধ্যে দেখা গেল মমতাময়ী এক নারীকে। শেখ রেহানার ছেলে রাদওয়ান মুজিব সিদ্দিক ববির সঙ্গে প্রধানমন্ত্রী কয়েকজন নাতি-নাতনি এসে হাজির। প্রধানমন্ত্রীকে কাছে পেয়ে নাতনীরা তাকে দাদী-দাদী বলে জড়িয়ে ধরেন। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাও পরম মমতায় তাদের বুকে জড়িয়ে ধরেন। কোলে তুলে আদর করেন।
এ সময় বিশিষ্টজনদের আরও উপস্থিত ছিলেন, সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব রামেন্দু মজুমদার, নাসিরউদ্দিন ইউসুফ বাচ্চু, নৃত্যশিল্পী শিবলী মোহাম্মদ, শামীম আরা নীপা, এফবিসিআই এর সাবেক সভাপতি কাজী আকরাম প্রমুখ।
গণভবনে আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠনের নেতাদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, মাহবুব-উল আলম হানিফ, জাহাঙ্গীর কবির নানক, মির্জা আজম, আহমদ হোসেন, বিএম মোজাম্মেল, খালিদ মাহমুদ চৌধুরী, সুজিত রায় নন্দী, এনামুল হক শামীম, এসএম কামাল, ছাত্রলীগের সাবেক নেতা লিয়াকত শিকদার, বদিউজ্জামান সোহাগসহ সহযোগী সংগঠনের কেন্দ্রীয় নেতারা।
পুরস্কার বিজয়ী প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা যুক্তরাজ্য হয়ে কানাডা ও যুক্তরাষ্ট্রে টানা ১৭দিনের সফর শেষে দেশে ফেরেন শুক্রবার বিকেলে। গত ১৪ সেপ্টেম্বর কানাডায় গ্লোবাল ফান্ড এবং যুক্তরাষ্ট্রে জাতিসংঘের ৭১তম সাধারণ অধিবেশনে যোগ দিতে ঢাকা ছেড়েছিলেন প্রধানমন্ত্রী। যুক্তরাষ্ট্র থেকে দুবাই হয়ে এমিরেটস এয়ারলাইনসের একটি উড়োজাহাজে ৬টা ৪২ মিনিটে হযরত শাহজালাল আর্ন্তজাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করেন প্রধানমন্ত্রী। ৬টা ৫০ মিনিটের পরে তিনি বিমান থেকে নামলে সেখানে তাকে ফুল দিয়ে অভ্যর্থনা জানান মন্ত্রী পরিষদের সদস্য ও মেয়র, সংসদ সদস্যসহ আওয়ামী লীগের শীর্ষ নেতারা।
বিমানবন্দরে এ সময় মন্ত্রী পরিষদ সদস্য, প্রধানমন্ত্রী উপদেষ্টা, আওয়ামী লীগ নেতাদের উপস্থিত ছিলেন সাজেদা চৌধুরী, আমির হোসেন আমু, তোফায়েল আহমদ, সৈয়দ আশরাফুল ইসলাম, শেখ ফজলুল করিম সেলিম, ইঞ্জিনিয়ার মোশাররাফ হোসেন, মহীউদ্দীন খান আলমগীর, ওবায়দুল কাদের, হোসেন তৌফিক ইমাম, মাহাবুব উল আলম হানিফ, দীপু মনি, ফারুক খান, আসাদুজ্জামান নূর, আবদুর রাজ্জাক, সাহারা খাতুন, মোফাজ্জল হোসেন চৌধুরী মায়া, এ বি তাজুল ইসলাম, এ কে এম রহমতউল্লাহ, কামরুল ইসলাম, আবদুস শহীদ, আবদুর রহমান, আব্দুল মান্নান, মুজিবুল হক, আসাদুজ্জামান খাঁন কামাল, তারানা হালিম, মেহের আফরোজ চুমকি, ইসমত আরা সাদেক, হাবিবুর রহমান খান সিরাজ, নাহিম রাজ্জাক, মেয়র আনিসুল হক, সাইদ খোকন প্রমুখ।
বিমানবন্দর থেকে গণভবন যাওয়ার পথে রাস্তার ‍দুই পাশে দাঁড়িয়ে মুহুর্মুহু স্লোগানের সঙ্গে জাতীয় ও দলীয় পতাকা উড়িয়ে, ফুল ছিটিয়ে প্রধানমন্ত্রীকে অভ্যর্থনা জানান হাজার হাজার নেতা-কর্মী। গাড়িতে বসে প্রধানমন্ত্রী হাত নেড়ে জনতার অভিনন্দনের জবাব দেন। ধীরে ধীরে তিনি আধ ঘণ্টারও বেশি সময় নিয়ে গণভবনে পৌঁছান।
বিমানবন্দর, খিলক্ষেত, কুড়িল বিশ্বরোড, কাকলি, বনানী, মহাখালী, জাহাঙ্গীর গেট, প্রধানমন্ত্রী কার্যালয়, বিজয় সরণি থেকে গণভবন পর্যন্ত পুরো সড়কেই ছিলো জনতার ঢল। প্রধানমন্ত্রীকে অভ্যর্থনা গত কয়েকদিন ব্যাপক প্রস্তুতি নিয়েছিলো আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠনগুলো।
বেলা দুইটার পর থেকে রাজধানীর বিভিন্ন এলাকার পাশাপাশি নারায়ণগঞ্জ, নরসিংদী, সাভার, মুন্সিগঞ্জ, গাজীপুরসহ ঢাকার আশপাশের জেলাগুলো থেকে শত শত বাস-ট্রাকে করে নেতা-কর্মীরা আসতে থাকে। ব্যানার, ফেস্টুন, স্লোগান, নাচ-গান, বাদ্যযন্ত্র বাজিয়ে উৎসবমুখর পরিবেশ তৈরি করেন নেতা-কর্মীরা।

Wednesday, August 10, 2016

ধেয়ে আসছে ঘূর্ণিঝড় মহাসেন, কাঁপছে বাংলা

সিরাজগঞ্জঃ
ধেয়ে আসছে ঘূর্ণিঝড় মহাসেন। তার উপর ঘন ও দ্রুতগতির মেঘমালা এবং বায়ুর চাপের তারতম্যের আধিক্যের কারণে উত্তর বঙ্গোপসাগর ও তত্সংলগ্ন উপকূল এলাকা ও সমুদ্রবন্দরগুলির উপর দিয়ে বয়ে যাবে ঝোড়ো হাওয়া। আবহাওয়া দপ্তরের এই পূর্বাভাসের পরই সতর্ক করা হল বাংলাদেশের উপকূলবর্তী এলাকার মানুষদের।
আবহাওয়া দপ্তরের তরফে জানানো হয়েছে, মহাসেন নামে ঘূর্ণিঝড়টি বুধবার সকাল নটায় চট্টগ্রাম সমুদ্রবন্দর থেকে ১৭০০ কিমি দক্ষিণ-পশ্চিমে, কক্সবাজার সমুদ্রবন্দর থেকে ১৬১০ কিমি দক্ষিণ-পশ্চিমে ও মংলা সমুদ্রবন্দর থেকে ১৭০৫ কিমি দক্ষিণ-পূর্বে অবস্থান করছিল। এটি আরও ঘনীভূত হয়ে উত্তর-পশ্চিম দিকে অগ্রসর হওয়ার কথা।
ঘূর্ণিঝড়-কেন্দ্রের ৫৪ কিমির মধ্যে হাওয়ার গতিবেগ ঘণ্টায় সর্বোচ্চ ৬২ কিমি, যা ঝোড়ো হাওয়ার আকারে ৮৮ কিমি পর্যন্ত বৃদ্ধি পাচ্ছে। ঘূর্ণিঝড়-কেন্দ্রের কাছে সাগর খুব উত্তাল রয়েছে। আবহাওয়া দপ্তর জানিয়েছে, ঘন ও দ্রুতগতির মেঘ ও বায়ুচাপের তারতম্যের আধিক্যের কারণে উত্তর বঙ্গোপসাগর ও তত্লগ্ন বাংলাদেশের উপকূলীয় এলাকা ও সমুদ্রবন্দরগুলির ওপর দিয়ে ঝোড়ো হাওয়া বয়ে যেতে পারে।
চট্টগ্রাম, কক্সবাজার ও মংলা সমুদ্রবন্দরকে তিন নম্বর স্থানীয় সতর্কসংকেত দেখিয়ে যেতে বলা হয়েছে। উত্তর বঙ্গোপসাগরে মাছ ধরার নৌকা ও ট্রলারকে গভীর সমুদ্রে যেতে নিষেধ করা হয়েছে।
দক্ষিণ-পূর্ব বঙ্গোপসাগর ও তত্সংলগ্ন এলাকায় একটি গভীর নিম্নচাপের সৃষ্টি হয়ে ঘূর্ণিঝড়ের রূপ নিয়েছে। এই ঘূর্ণিঝড়ের নাম দেওয়া হয়েছে মহাসেন।