সিরাজগঞ্জ প্রতিদিন

সিরাজগঞ্জের সবচেয়ে জনপ্রিয় বাংলা অনলাইন নিউজ সাইট

বঙ্গবন্ধু বহুমুখি সেতু

যমুনা সেতু তথা যমুনা বহুমুখী সেতু বাংলাদেশের যমুনা নদীর উপরে অবস্থিত একটি সড়ক ও রেল সেতু। এর দৈর্ঘ্য ৪.৮ কিলোমিটার। এটি বাংলাদেশ এবং দক্ষিণ এশিয়ার দীর্ঘতম সেতু। ১৯৯৮ সালে এর নির্মাণ কাজ শেষ হয়। ইহা যমুনা নাদীর পূর্ব তীরের ভূয়াপুর এবং পশ্চিম তীরের সিরাজগঞ্জকে সংযুক্ত করে। এইটি বিশ্বে ১১তম এবং দক্ষিণ এশিয়ার ৬ষ্ঠ দীর্ঘতম সেতু।

ইলিয়ট ব্রিজ

ইলিয়ট ব্রিজ সিরাজগঞ্জ শহরের কাটা খালের উপরে লোহা ও সিমেন্টের সমন্বয়ে তৈরী। সিরাজগঞ্জ শহরকে দেখার জন্য কাঁটাখালের উপরে প্রায় ৩০ ফুট উঁচু করে ইংরেজ এসডিও মিঃ বিটসন বেল আই, সি, এস, সাহেব ১৮৯৫ সনে ৪৫,০০০ টাকা খরচ করে বাংলার তৎকালিন ছোট লাট স্যার আল ফ্রেড ইলিয়ট সাহেবের নামানুসারে এই ব্রিজ তৈরী করেছিলেন। নামানুসারে এই ব্রিজ তৈরী করেছিলেন।

Friday, February 3, 2017

নির্বাচন না করলে ধানের শীষ আর খুঁজে পাওয়া যাবে নাঃ স্বাস্থ্যমন্ত্রী মোহাম্মাদ নাসিম


বিএনপি”র প্রতি ঈঙ্গিত দিয়ে আওয়ামীলীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য, ১৪ দলের মুখপাত্র ও স্বাস্থ্যমন্ত্রী মোহাম্মদ নাসিম বলেছেন এ দেশের জনগণ এখন আর হাওয়া ভবনের রাজনীতি চাযনা। রাজনীতি করতে হলে রাস্তায় নামতে হবে, মার খেতে হবে। নির্বাচন ছাড়া বিএনপি’র কোন বিকল্প নেই উল্লেখ করে তিনি এত্ত বলেছেন- ২০১৯ সালে খালেদা জিয়াকে বঙ্গবন্ধু কন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার অধীনেই নির্বাচনে আসতে হবে। সেই নির্বাচনে উন্নয়ন ও জনগণের ভালবাসা নিয়ে আওয়ামীলীগ আবরো রাষ্ট্রীয় ক্ষমতায় আসবে। শেখ হাসিনাই হবেন প্রধান মন্ত্রী। তিনি শুক্রবার বিকেলে তাড়াশ ডিগ্রী কলেজ মাঠে এক বিশাল জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্য দেন।
তাড়াশ উপজেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি ও তাড়াশ উপজেলা চেয়ারম্যান আব্দুল হকের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত জনসভায় বিশেষ অতিথি ছিলেন মন্ত্রীর সহধর্মিনী লায়লা বেগম নাসিম ও গাজী ম,ম আমজাদ হোসেন মিলন এম,পি । এ ছাড়াও জনসভায় জেলা আওয়ামীলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক আব্দুল হান্নান ও তাড়াশ উপজেলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক সঞ্চিত কুমার কর্মকার। জনসভায জেলা আওয়ামীগের আব্দুস সামাদ তালুকদার, হাজী ইসহাক আলী, দানিউল হক দানী, আব্দুল হাকিম, জিহাদ আাল ইসলাম, রাশেদ ইউসুফ জুয়েল প্রমুখ জনসবায় উপস্থিত ছিলেন।
দ্বিতীয় মেয়াদে আওয়ামীলীগের নীতিনির্ধারণী ফোরাম প্রেসিডিয়ামের সদস্য নির্বাচিত হবার পর মোহাম্মদ নাসিম তাড়াশে এলে তাড়াশ- রাযগঞ্জ নির্বাচনী এলাকার মানুষ দুপুর থেকে ব্যানার ফেস্টুন, প্লেকার্ড হাতে নিয়ে মিছিলসহকারে তাড়াশ ডিগ্রী কলেজ মাঠে এসে সমবেত হয়। বিকেল তিনটার মধ্যেই তাড়াশ কলেজ মাঠ কানায় কানায় ভরে ওঠে। মোহাম্মদ নাসিম বিকেল সাড়ে চারটায়
কলেজ মাঠের জনসভাস্থলে পৌছান। জণগন শ্লোগান এবং দলের নেতাকর্মীরা ফুল ছিটিয়ে জনসভায় আগত মোহাম্মদ নাসিমকে বরণ করেন। স্বাস্থ্যমন্ত্রী মোহাম্মদ নাসিম জঙ্গী দমন এবং দেশের সার্বিক উন্নয়নে বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনার সফলতার উল্লেখ করে স্বাস্থ্য সেবা, বিদ্যুৎ,
শিক্ষা, সার বীজসহ কৃষি এবং খাদ্য উৎপাদন ডিজিটাল সেবা সহ সরকারের বিভিন্নমুখী উন্নয়ন তৎপরতার বর্ণনা দিয়ে বলেছেন- আগামী নির্বাচনে আমরা খালি মাঠে গোল দিতে চাই না। সংবিধান অনুযায়ী প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার অধিনেই নির্বাচন হবে। উন্নয়নের ধারা অব্যাহত রাখতে এ নির্বাচনেও জনগণ আবারো আওয়ামীলীগকেই ভোট দেবে বলে তিনি মন্তব্য বলেছেন -২০১৯ সালের
নির্বাচনী মাঠে বিএনপির সাথে মোকাবেলা করে জনগণের ভোটে আমরা জয়ী হবো।
মোহাম্মদ নাসিম বলেন, সার্চ কমিটি গঠন হয়েছে। রাষ্ট্রপতি তাঁর সাংবিধানিক ক্ষমতাবলে তা করেছেন। যাদের নাম সার্চ কমিটিতে আছে তারা সবাই খ্যাতিমান ব্যক্তি। বিচারকরা কোন দল করেন না। কোন শিক্ষক কি দল করেন? তারা পেশায় আছেন তাদের নিজেদের যোগ্যতা বলে। তারা সবাই বাংলাদেশের মানুষের কাছে অত্যন্ত পরিচিত মুখ। তারা নির্বাচন কমিশন গঠনের জন্য ৫ জন ব্যক্তির নাম ঠিক করে রাষ্ট্রপতির কাছে পাঠাবেন। রাষ্ট্রপতির গঠিত সার্চ নির্বাচন কমিশনের অধিনেই বিএনপিকে নির্বাচন করতে হবে বলেও তিনি মন্তব্য করেছেন।
তিনি বলেন, খালেদা জিয়া মাঝে মধ্যে উল্টা পাল্টা কথা বলে দাম বাড়াচ্ছেন। নির্বাচন না করলে ধানের শীষ আর খুঁজে পাওয়া যাবে না। কোন অজুহাত দেখিয়ে মিথ্যা আন্দোলনের ধুয়া তুলে লাভ নাই। বিএনপি’র আন্দোলন কি তা জনগন দেখেছে।
শেখ হাসিনা উন্নয়নের নেত্রী উল্লে¬খ করে স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, সারা বিশ্ব বাংলাদেশের উন্নয়নে প্রশংসা করেছে। ছিটমহল উদ্ধার, পদ্মাসেতু নির্মাণ, বিদ্যুৎ উৎপাদনসহ সকল ক্ষেত্রেই উন্নয়নের মডেল এখন বাংলাদেশ।

শিমুল হত্যার প্রতিবাদে শাহজাদপুরে শনিবার অর্ধদিবস হরতাল

সিরাজগঞ্জ: সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুর পৌর মেয়রের গুলিতে দৈনিক সমকালের শাহজাদপুর প্রতিনিধি আব্দুল হাকিম শিমুল নিহত হওয়ায় শনিবার (৪ ফেব্রুয়ারি) অর্ধদিবস হরতাল ডেকেছে ছাত্রলীগ ও স্থানীয় সাংবাদিকরা।
শুক্রবার (৩ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে শাহজাদপুর দিলরুবা বাসস্ট্যান্ড এলাকায় পাবনা-ঢাকা মহাসড়ক অবরোধ করেন বিক্ষুব্ধরা।
দুপুর ২টার দিকে শাহজাদপুর উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতি মাহবুব ওয়াহিদ কাজল ও প্রেসক্লাবের সভাপতি বিমল কুণ্ডু এ হরতাল আহ্বান করেন।
এর আগে দুপুর পৌনে ১টার দিকে আহত সাংবাদিক শিমুলকে বগুড়া থেকে ঢাকায় নেওয়ার পথে তার মৃত্যু হয়। শিমুলের মৃত্যুর খবর ছড়িয়ে পড়লে ছাত্রলীগ নেতা-কর্মী ও সাংবাদিকরা বিক্ষোভ মিছিল বের করেন।
এ ঘটনায় মেয়র হালিমুল হক মিরুর দুই ভাই পিন্টু ও মিন্টুকে আটক করেছে পুলিশ।
শাহজাদপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রেজাউল হক বাংলানিউজকে জানান, বৃহস্পতিবার (২ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে পিন্টুকে ও রাতে মিন্টুকে আটক করা হয়েছে।
এর আগে বৃহস্পতিবার দুপুর ১টার দিকে শাহজাদপুর কলেজ শাখা ছাত্রলীগ নেতা বিজয় মাহমুদকে মারপিটের ঘটনার প্রতিবাদে করা এক বিক্ষোভ মিছিলে হামলা চালায় মেয়র গ্রুপের লোকজন। এ সময় মেয়র তার ব্যক্তিগত শর্টগান থেকে গুলি ছোড়েন।
এ সময় সংবাদ সংগ্রহ করতে গেলে দৈনিক সমকালের শাহজাদপুর প্রতিনিধি আব্দুল হাকিম শিমুলসহ তিনজন গুলিবিদ্ধ হন।
গুরুতর আহত সাংবাদিক শিমুলকে প্রথমে শাহজাদপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে পরবর্তীতে বগুড়া শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানে আশঙ্কাজনক অবস্থায় শুক্রবার তাকে বগুড়া থেকে ঢাকায় নেওয়ার পথে দুপুর ১টার দিকে মৃত্যু হয়।

মেয়রের গুলিতে সাংবাদিকের মৃত্যু: প্রশাসনিক কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণের ঘোষণা ওবায়দুল কাদেরের

সিরাজগঞ্জে সাংবাদিক হত্যায় জড়িত যেই হোক না কেন তার বিরুদ্ধে জরুরী ভিত্তিতে দলীয় এবং প্রশাসনিক কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণের ঘোষণা দিয়েছেন আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের। তিনি বলেন, ‘এসব ঘটনায় আওয়ামী লীগ কখনও নির্লিপ্ত থাকেনি। আওয়ামী লীগ এসব বিশৃঙ্খলাকারীদের বিরুদ্ধে সব সময় ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে। এবারও ব্যত্যয় ঘটবে না।’
আজ শুক্রবার বিকালে নারায়ণগঞ্জের কাঁচপুরে দ্বিতীয় গোমতী সেতুর পাইলিং কাজের উদ্বোধন শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে এ কথা বলেন ওবায়দুল কাদের। এই সেতুটির কাজ শেষ হওয়ার কথা ২০১৮ সালের মার্চ মাসে।
জাপানি সহায়তা সংস্থা জাইকার সহযোগিতায় ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে মোট তিনটি সেতু হচ্ছে। এগুলো হলো দ্বিতীয় কাঁচপুর, দ্বিতীয় মেঘনা এবং দ্বিতীয় গোমতী সেতু। এসব প্রকল্পে ব্যয় হচ্ছে মোট আট হাজার কোটি টাকা যার ছয় হাজার কোটিই দিচ্ছে জাইকা।
সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুরের মেয়রের গুলিতে সাংবাদিক হত্যার বিষয়টি নিয়ে জানতে চাইলে ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘এরই মধ্যে সিরাজগঞ্জে দায়িত্বপ্রাপ্ত আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক ও যুগ্ম সাধারণ সম্পাদককে ঘটনা তদন্ত করে রিপোর্ট প্রদানের জন্য নির্দেশ দেয়া হয়েছে।’
বৃহস্পতিবার দুপুরে শাহজাদপুর কলেজ শাখা ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি বিজয় মাহমুদকে মারধর করেন মেয়র হালিমুল হক মিরুর ছোট ভাই পিন্টু। পরে মেয়রের বাসা থেকে পিন্টুকে আটক করে পুলিশ। বিজয়কে মারপিটের ঘটনার প্রতিবাদে বিকালে ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা বিক্ষোভ মিছিল নিয়ে মেয়রের বাসায় হামলা চালান। এক পর্যায়ে মেয়র তার শটগান থেকে গুলি ছুড়েন। এতে সাংবাদিক শিমুলসহ তিনজন গুলিবিদ্ধ হন। শুক্রবার দুপুরে শিমুলকে ঢাকায় নেয়ার পথে তার মৃত্যু হয়।
ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘ইলেকশনকে সামনে রেখে দল ভারী করার জন্য এলাকায় কেউ কেউ প্রভাব বিস্তার করছে। আবার অনেক দলের ভেতরে অনুপ্রবেশকারী পরগাছাদের ওপর নির্ভর করে বিশৃঙ্খলায় জড়িয়ে পড়ছে। এসব পরগাছাদের দলের ভেতর থেকে নির্মুল করা হবে।’
আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক বলেন, ‘জেলা পর্যায়ের অনেক নেতাকে ডেকে এনে সতর্ক করা হয়েছে। তারপরও যদি তারা সতর্ক না হন, তাহলে তাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেয়া হবে।

পাবনায় দেশের ২৭তম গ্যাসক্ষেত্র আবিষ্কার

বার্তাকক্ষ : পাবনার সুজানগর উপজেলার মোবারকপুরে নতুন একটি গ্যাসক্ষেত্র আবিষ্কার করেছে বাপেক্স।
সম্পূর্ণ নতুন বৈশিষ্ট্যের ভূ-কাঠামোয় (স্টেটিগ্রাফিক স্ট্রাকচার) এই ক্ষেত্রের অবস্থান নিশ্চিত করা হয়েছে।
এটি এখন পর্যন্ত আবিষ্কৃত দেশের ২৭তম গ্যাসক্ষেত্র। এই ক্ষেত্র থেকে বাণিজ্যিক ভিত্তিতে গ্যাস উত্তোলনের জন্য আরেকটি কূপ খননের কাজ হাতে নেওয়া হয়েছে।
বাপেক্সের সূত্র জানায়, ক্ষেত্রটিতে খনন করা অনুসন্ধান কূপ থেকে কয়েক দিন ধরে গ্যাস উঠেছে। কূপের ওপরে স্থাপিত পাইপ দিয়ে গ্যাসের উদ্গিরণ শুরু হলে তাতে আগুন দিয়ে অগ্নিশিখা প্রজ্বালন করা হয়, যা কোনো ক্ষেত্রে গ্যাসের অবস্থানের প্রমাণ। তবে ওই গ্যাস উঠেছে কখনো উচ্চ চাপে, কখনো চাপ ছিল কম।
সেখানে কর্তব্যরত ব্যক্তিদের কয়েকজন বলেন, অগ্নিশিখা নিভিয়ে গত রোববার থেকে কূপটিতে নানা ভূতাত্ত্বিক পরীক্ষা-নিরীক্ষা চালানো হচ্ছে।
ফলাফল থেকে ক্ষেত্রটির আকার নির্ধারণ, সম্ভাব্য মজুতের পরিমাণ নির্ণয় প্রভৃতি কাজে তথ্য পাওয়া যাবে, যার ভিত্তিতে পরবর্তী কূপটি খনন করা হবে।
বিষয়টি সম্পর্কে জানতে চাইলে বাপেক্সের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. নওশাদ ইসলাম বলেন, মোবারকপুর ক্ষেত্রে গ্যাসের অবস্থান সম্পর্কে তাঁরা নিশ্চিত হয়েছেন। তবে সেখানকার জটিল ভূতাত্ত্বিক কাঠামোর কারণে বিদ্যমান কূপটি খননে অনেক জটিলতা ও দীর্ঘ সময়ক্ষেপণ হওয়ায় গ্যাসের প্রবাহ বিঘ্নিত হয়েছে।
হয়তো কূপের গভীরে কোনো সমস্যা হওয়ায় এমনটি হয়ে থাকতে পারে। তিনি বলেন, বাপেক্স মনে করছে, মোবারকপুরে বাণিজ্যিক ভিত্তিতে তোলার মতো গ্যাস পাওয়া যাবে।
জানতে চাইলে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভূতত্ত্ব বিভাগের অধ্যাপক বদরূল ইমাম বলেন, মোবারকপুর ক্ষেত্রে গ্যাসের অবস্থান চিহ্নিত হয়েছে। অর্থাৎ সেখানে গ্যাস আছে। তবে বিদ্যমান কূপটির মাধ্যমে সেই গ্যাস বাণিজ্যিকভাবে উত্তোলনযোগ্য বলে প্রমাণ করা যায়নি। তবে অন্য কূপ খনন করে তা করা যাবে। কারণ, কূপটি খনন করে অনেক বড় একটি স্তরসহ দুটি গ্যাসের স্তর সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়া গেছে।
এর আগে দেশে মোবারকপুরের মতো ভূ-কাঠামোয় গ্যাসক্ষেত্র আবিষ্কৃত হয়েছে শুধু ভোলার শাহবাজপুরে। এই দুটি ক্ষেত্রই দেশের বেঙ্গল বেসিনভুক্ত এলাকায়। দেশের অন্য সব গ্যাসক্ষেত্র আবিষ্কৃত হয়েছে সুরমা বেসিনে, অভিন্ন বৈশিষ্ট্যের ভূ-কাঠামোয়, যার ভূতাত্ত্বিক নাম ‘অ্যান্টি ক্লেইন স্ট্রাকচার’। এই কাঠামোর সব ক্ষেত্রই সিলেট ও চট্টগ্রাম বিভাগে।
মোবারকপুর গ্যাসক্ষেত্রের গুরুত্বপূর্ণ বিশেষত্ব হচ্ছে, যমুনা নদীর পশ্চিম পাড়ে, দেশের উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলে এই প্রথম প্রাকৃতিক গ্যাসের সন্ধান পাওয়া গেল।
ভূ-বিজ্ঞানীদের অভিমত হচ্ছে, মোবারকপুরের ভূ-কাঠামোয় গ্যাসক্ষেত্র আবিষ্কার দেশের মধ্যে বেঙ্গল বেসিনে গ্যাস পাওয়ার সম্ভাবনা বাড়িয়ে দিল। এর মাধ্যমে উত্তরাঞ্চলের আরও অনেক স্থানে গ্যাস পাওয়ার সম্ভাবনা সৃষ্টি হয়েছে। সেসব স্থানেও এখন অনুসন্ধান চালাতে হবে।
তাত্ত্বিক ভূতত্ত্ব অনুযায়ী স্টেটিগ্রাফিক স্ট্রাকচারে (মোবারকপুরের মতো ভূ-কাঠামোয়) তেল-গ্যাস পাওয়ার সম্ভাবনা কম থাকে। কিন্তু প্রকৃতি যে কখনো কখনো এই তত্ত্ব নাকচ করে দেয়, সে নজিরও আছে।
ভারতের ওএনজিসি মোবারকপুর ভূ-কাঠামোর ১০০ কিলোমিটার দক্ষিণ-পশ্চিমে একই ধরনের ভূ-কাঠামোয় তেল পেয়েছে। ওই কাঠামোর ইছাপুর নামক স্থানে খনন করা কূপটির কাছাকাছি ওএনজিসি ইতিমধ্যে দ্বিতীয় একটি কূপও খনন করেছে বলে জানা গেছে।
উত্তরাঞ্চলে তেল-গ্যাস আবিষ্কারের চেষ্টা কমই হয়েছে। ১৯৯৪ সালে বগুড়ার গাবতলী উপজেলায় একটি অনুসন্ধান কূপসহ ওই অঞ্চলে ষাটের দশকের পর থেকে মোবারকপুরের আগ পর্যন্ত মাত্র তিনটি কূপ খনন করা হয়। তবে সেগুলোতে তেল-গ্যাস পাওয়া যায়নি।
তার আগে-পরে ওই অঞ্চলে একাধিক দ্বিমাত্রিক ভূকম্পন জরিপ চালানো হয়েছে। কিন্তু কোনো অনুসন্ধান কূপ খনন করা হয়নি।
মোবারকপুর অঞ্চলে প্রথম দ্বিমাত্রিক ভূকম্পন জরিপ চালায় পেট্রোবাংলা, ১৯৮০-৮১ সালে। এরপর জার্মান প্রতিষ্ঠান প্রাকলা সাইসমো ১৯৮৩-৮৪ সালে সেখানে জরিপ চালায়। ওই দুটি জরিপেই সেখানে তেল-গ্যাস পাওয়ার সম্ভাবনার কথা জানা যায়।
এরপর ২০০৬-০৭ ও ২০০৭-০৮ সালে বাপেক্স আবার সেখানে দ্বিমাত্রিক ভূকম্পন জরিপ করে। এই সবকটি ভূকম্পন জরিপেই সেখানে ভূগর্ভের ৪ হাজার ২৫০ মিটার থেকে ৪ হাজার ৭০০ মিটারের মধ্যে গ্যাসের পাঁচটি স্তর চিহ্নিত করা হয়েছিল। তথ্যসূত্র: প্রথম আলো

Sunday, January 29, 2017

আমি প্রধান অতিথি হতে আসিনি- আমি সফলদের কথা বলতে এসেছি। -------যুবলীগ চেয়ারম্যান ওমর ফারুক চৌধুরী

আজ ২৯ জানুয়ারী ২০১৭ইং রবিবার ধানমন্ডি সুলতানা কামাল মহিলা ক্রীড়া কমপ্লেক্সে বাংলাদেশ তায়কোয়াডো ফেডারেশন এর দক্ষিন কোরিয়া হতে আগত ০৪ সদস্য বিশিষ্ট কোরিয়ান তায়কোয়ানডো প্রশিক্ষক দ্বারা ১০ দিন দিনব্যাপী“তায়কোয়ানডো প্রশিক্ষন কর্মশালার সমাপনী ও সনদপত্র বিতরন অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি বাংলাদেশ আওয়ামী যুবলীগ চেয়ারম্যান ও বাংলাদেশ তায়কোয়ানডো ফেডারেশন এর প্রধান পৃষ্ঠপোষক মোহাম্মদ ওমর ফারুক চৌধুরী বলেন- মনে রাখতে হবে পড়ে শেখার চেয়ে-করে শেখা জরুরি। ব্যর্থতা কোনো বাধা নয়। আমরা লক্ষ্যটা এত বড় রাখি যেন দু-এক বার ব্যর্থ হওয়াটা স্বাভাবিক মনে হয়। যদি তুমি খুব কঠিন কিছু নিয়ে কাজ করো, যা আর কেউ করছে না, চালিয়ে যাও। কারণ তোমার কোনো প্রতিযোগিতা নেই। তুমি যদি ব্যর্থও হও, নিশ্চয়ই একটা ভালো কিছু পাবে। অন্যের দিকে মন না দিয়ে নিজের কাজটার প্রতি মনোযোগ দেওয়া উচিত। কারণ তোমরা তৃণমূল পর্যায় থেকে বাছাইকৃত প্রতিভাবান খেলোয়াড়।
সময়ের সঙ্গে সঙ্গে সব কিছু যেমন বদলে যাচ্ছে, তেমনি আমাদের শিক্ষা ব্যবস্থা বা পড়ালেখার ধরনটা, খেলাধূলার বিষয়টা, সামাজিক, পারিবারিক এমনকি রাজনৈতিক ব্যবস্থাপনা নিশ্চয় বদলানো উচিত। যে সব ক্রীড়া ডিসিপ্লিন অন্তর্ভক্ত হয়েছে তায়কোয়ানডো তার মধ্যে অন্যতম। রাষ্ট্রনায়ক শেখ হাসিনার নিদের্শে জাতীয় ক্রীড়া পরিষদ থেকে ৪২ লক্ষ টাকা বাংলাদেশ তায়কোয়ানডো ফেডারেশন বরাদ্দ পেয়েছে। বাংলাদেশ তায়কোয়ানডো ফেডারেশনের প্রধান পৃষ্ঠপোষক হিসেবে আমি বিশ্বাস করি ক্রীড়ার মাধ্যমে দেশে সুশৃঙ্খল যুব সমাজ গঠন সম্ভব, যারা দেশকে ভবিষ্যতে দেশকে সমৃদ্ধিশালী ও প্রগতিশীল করে গড়ে তুলতে সহায়ক ভূমিকা পালন করবে। বর্তমান মাননীয় প্রধানমন্ত্রী রাষ্ট্রনায়ক শেখ হাসিনার সময়োপযোগী তৃণমূল পর্যায়ে প্রতিভা অন্বেষনের মতো প্রকল্পের মাধ্যমে দেশের ক্রীড়া বহুলাংশে সমৃদ্ধশালী হয়েছে। আমার পক্ষ হতে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে এই যুগপোযোগী পদক্ষেপের জন্য আন্তরিক ধন্যবাদ জানাই। আমি আরও ধন্যবাদ জানাই প্রকল্পের সাথে সংশ্লিষ্ঠ যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের সকল কর্মকর্তা, জাতীয় ক্রীড়া পরিষদের সকল কর্মকর্তা ও বাংলাদেশ তায়কোয়ানডো ফেডারেশনের সকল কর্মকর্তা ও প্রশিক্ষকবৃন্দকে।
অভিজ্ঞতা বলে একটা কথা আছে- পাঠ্য বইয়ের পেছনে সময় দেওয়াই গুরুত্বপূর্ণ। বাইরের পৃথিবীতে কিন্তু ব্যাপারটা তা নয়। সেখানে কাজের অভিজ্ঞতার গুরুত্ব বেশী। তাই বিভিন্ন ধরনের কাজ করতে হবে। ঝুঁকি নিতে হবে। খোঁজো কোন কাজটা তুমি ভালবস, সেটাই মন লাগিয়ে করো। একাডেমিক পড়ালেখাও গুরুত্বপূর্ণ। কিন্তু ততটা নয়, যতটা গুরুত্ব আমরা দিই। জীবন একটা দীর্ঘ যাত্রা। তাই আমি যা করছি, তা উপভোগ করা জরুরি। একজন নেতা হিসেবে আমার কাজ হলো-অন্য নেতাদের সামনে থেকে বাধাগুলো সরিয়ে দেওয়া। তাদের বিশ্বাস করা, স্বাধীনতা দেওয়া, তাদের সফল করা। আমি বিশ্বাস করি নেতৃত্ব দেওয়া মানে নিজে সফল হওয়া নয়। বরং এটা নিশ্চিত করা যে, আমার সঙ্গে যারা কাজ করছেন, তারাও সফল হচ্ছেন। আশা আর স্বপ্ন বাঁচিয়ে রেখে সেটা অনুসরণ করতে পারাটাই বড়। যদি কোনো স্বপ্নই না থাকে, তাহলে সামনে এগোনোর গতিটা দেবে কে? শেষ পর্যন্ত কোথায় পৌঁছাতে চাও, সেটা জানা থাকুক না থাকুক, স্বপ্ন থাকতেই হবে। লক্ষ্যের দিকে এগিয়ে যাওয়ার জন্য স্থির মনোভাব থাকাও খুবই গুরুত্বপূর্ণ। খুব দূরের ভবিষ্যতের দিকে না তাকিয়ে ছোট ছোট লক্ষ্য ঠিক করতে হবে। বর্তমান সময়ে বেঁচে থাকার জন্য পরিশ্রম করতে হবে। জীবনের নানা পর্যায়ের সমস্যা প্রতিবন্ধকতা অতিক্রম করেই সফল হতে হয়। সফল হওয়ার জন্য বিনয়ীও নম্র হওয়াটাই সবচেয়ে বেশী গুরুত্বপূর্ণ। কঠোর পরিশ্রম ছাড়া এগিয়ে যাওয়ার বিকল্প নেই। সবকিছুকে সরল ভাবতে পারাটাই এগোনোর সাহস জোগায়। তবে কোন ক্ষেত্রে ভাল, তা জানতে হবে। অন্যদের চেয়ে বেশী পরিশ্রম করতে না পারিলে লক্ষ্য স্পর্শ করা যাবে না। জীবনে সব কিছুর ভারসাম্য রক্ষা করে এগিয়ে যেতে হবে। বাস্তববাদী হতে হবে। বাস্তববাদী হতে হলে দুঃখ-কষ্ট-বাধা বিপত্তিকে বরণ করে নিতে হবে। দুঃখ-কষ্ট যে পাপের ফল, তোমাকে কে বলিল? নবী-রসূল এত দুঃখ কষ্ট পেলেন কেন? ইচ্ছা আর একাগ্রতা থাকলে অনেক কিছু অর্জন সম্ভব। পরিবর্তনের এটাই সুযোগ। দায়িত্বের ভার যেন তোমাকে থমকে না দেয়, বরং সাহস জোগায়। জীবনের কঠিনতম সিদ্ধান্তগুলো নিতে যারা সাহায্য করেছে বা করছে সেই মা, ভাই-বোন, কোন শিক্ষক, বন্ধু, আমরা তাদের পাশে থাকবো। আমি সব সময় বর্তমান নিয়ে বাঁচতে ভালোবাসি। সব কিছুকে একটু ভেঙ্গে ভেঙ্গে ভাবতে পছন্দ করি। আমার কাছে কাজে-কথায় হেরে যাওয়াটা ভাবার বিষয় নয়, বরং ভুলটা কোথায় হলো, সেটা জানাটাই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। আবার কথায় কথায় ফাস্ট হওয়া বা কাজে জিতে যাওয়া বা আনন্দিত হওয়াও কিন্তু সব না। বরং কোন জায়গায় উন্নতি করা দরকার, সাকসেস হওয়া প্রয়োজন সেটা বলতে পারাটাই জরুরি। আমি মনে করি, তুমি যখন শারীরিকভাবে ক্লান্তিবোধ কর তখনো কিন্তু চাইলে সামনে এগিয়ে যেতে পার। যতক্ষণ না তুমি মানসিকভাবে ক্লান্ত হচ্ছো, ততক্ষণ তুমি আসলে ক্লান্ত না। আমরা ফিজিক্যাল হেল্থ নিয়ে চিন্তিত কিন্তু মেনটাল হেল্থ নিয়ে চিন্তিত নয়। কেন? ফিজিক্যাল ট্রিটমেন্টের প্রয়োজন। এই মানসিক ট্রিটমেন্ট হচ্ছে তাইকুন্ডু।
উল্লেখ্য যে, গত ০৯ই জানুয়ারী, ২০১৭ইং তারিখে বাংলাদেশ তায়কোয়নডো ফেডারেশনের উদ্যোগে দক্ষিণ কোরিয়া হতে ০৪ সদস্য বিশিষ্ট তায়কোয়ানডোর উপর বিশেজ্ঞ প্রশিক্ষক দল ৪২ দিনের জন্য বাংলাদেশ সফরে এসেছে। সুলতানা কামাল মহিলা ক্রীড়া কমপ্লেক্সের তায়কোয়ানডো খেলোয়াড়দের আরো উন্নত প্রশিক্ষণ প্রদানের জন্য বাংলাদেশ তায়কোয়ানডো ফেডারেশন উক্ত প্রশিক্ষক দলের তত্ত্বাবধানে গত ২০শে জানুয়ারী হতে ১০ দিনের জন্য সুলতানা কামাল মহিলা ক্রীড়া কমপ্লেক্সে একটি বিশেষ তায়কোয়ানডো প্রশিক্ষণ কর্মশালার আয়োজন করে। এ প্রশিক্ষণ কর্মশালায় কামাল মহিলা ক্রীড়া কমপ্লেক্সের প্রায় ২০০ জন তায়কোয়ানডো খেলোয়াড় অংশগ্রহণ করে। আজ ২৯শে জানুয়ারী, ২০১৭ ইং তারিখ (রবিবার) বিকাল ৩.৩০ টায় উক্ত প্রশিক্ষণ কর্মশালার সমাপনী ও প্রশিক্ষণে অংশগ্রহণকারী তায়কোয়ানডো খেলোয়াড়দের মাঝে সনদপত্র বিতরণী অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। উক্ত অনুষ্ঠানে বাংলাদেশ আওয়ামী যুবলীগ চেয়ারম্যান ও বাংলাদেশ তায়কোয়ানডো ফেডারেশনের প্রধান পৃষ্ঠপোষক জনাব মোহাম্মদ ওমর ফারুক চৌধুরী প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত হয়ে প্রশিক্ষণ কর্মশালায় অংশগ্রহণকারী তায়কোয়ানডো খেলোয়াড়দের মাঝে সনদপত্র বিতরণ করেন ও প্রশিক্ষণ কর্মশালার সমাপ্তি ঘোষণা করেন। উক্ত অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন- বাংলাদেশ তায়কোয়ানডো ফেডারেশনের সাধারণ সম্পাদক মাহমুদুল ইসলাম রানা সহ অন্যান্য কর্মকর্তা ও প্রশিক্ষকবৃন্দ। আরো উপস্থিত ছিলেন- যুবলীগ কেন্দ্রীয় কমিটির সম্পাদক মন্ডলীর সদস্য কাজী আনিসুর রহমান, মিজানুল ইসলাম মিজু, কার্যনির্বাহী সদস্য রওশন জামির রানা, ঢাকা মহানগর যুবলীগ উত্তর সাধারণ সম্পাদক ইসমাইল হোসেন, যুগ্ম-সম্পাদক তাসভীরুল হক অনু প্রমুখ।

Saturday, January 28, 2017

২০১৯ সালে শেখ হাসিনার অধীনেই নির্বাচন হবে : স্বাস্থ্যমন্ত্রী

সোহাগ লুৎফুল কবির: স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যান মন্ত্রী মোহাম্মদ নাসিম বলেছেন, ২০১৯ সালে শেখ হাসিনার অধীনেই নির্বাচন হবে। ওই নির্বাচনে বিএনপি আসতেও বাধ্য হবে এবং হারতেও বাধ্য হবে। কারণ শেখ হাসিনার উন্নয়ন দেখে মানুষ আবারও আওয়ামীলীগ লীগকেই ভোট দেবে।
তিনি শনিবার বিকেলে সিরাজগঞ্জের কাজিপুর উপজেলার চর গিরিশ ইউনিয়নে ১০ শয্যা বিশিষ্ঠ ইউনিয়ন স্বাস্থ্যকেন্দ্রের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন শেষে আয়োজিত এক সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন।
তিনি বলেন, খালেদা জিয়া কথা বলে দাম বাড়াচ্ছেন। নির্বাচন না করলে ধানের শীষ আর খুঁজে পাওয়া যাবে না। কোন অজুহাত দেখিয়ে মিথ্যা আন্দোলনের ধুয়া তুলে লাভ নাই। আপনাদের আন্দোলন কি তা জনগন দেখেছে।
আমরা খালি মাঠে গোল দিতে চাই না। ২০১৯ সালেরর নির্বাচনী মাঠে বিএনপির সাথে মোকাবেলা করে আমরা জয়ী হবো। শেখ হাসিনা উন্নয়নের নেত্রী উল্লেখ করে স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, সারা বিশ্ব বাংলাদেশের উন্নয়নে প্রশংসা করেছে। ছিটমহল উদ্ধার, পদ্মাসেতু নির্মাণ, বিদ্যুৎ উদপাদনসহ সকল ক্ষেত্রেই উন্নয়নের মডেল এখন বাংলাদেশ।
রঘুনাথপুর উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে ইউনিয়ন আ.লীগের সভাপতি আব্দুস সামাদের সভাপতিত্বে সমাবেশে আরও বক্তব্য রাখেন, পরিবার পরিকল্পনা বিভাগের মহা পরিচালক শেখ মো: শামীম ইকবাল, স্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরের প্রধান প্রকৌশলী ব্রিগেডিয়ার জেনারেল এম এ মাহী, সিরাজগঞ্জ জেলা প্রশাসক কামরুন নাহার সিদ্দিকা, কাজিপুর উপজেলা চেয়ারম্যান মোজাম্মেল হক বকুল, সাবেক সংসদ সদস্য ডা: মুরাদ হাসান, আওয়ামীলীগের কেন্দ্রীয় সদস্য নুরুল ইসলাম ঠান্ডু, তেজগাঁও থানা আ.লীগের সভাপতি আব্দুর রশিদ ও কাজিপুর থানা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক খলিলুর রহমান সিরাজী ও চর গিরিশ ইউপি চেয়ারম্যান জহুরুল ইসলাম মিন্টু।