সিরাজগঞ্জ প্রতিদিন

সিরাজগঞ্জের সবচেয়ে জনপ্রিয় বাংলা অনলাইন নিউজ সাইট

বঙ্গবন্ধু বহুমুখি সেতু

যমুনা সেতু তথা যমুনা বহুমুখী সেতু বাংলাদেশের যমুনা নদীর উপরে অবস্থিত একটি সড়ক ও রেল সেতু। এর দৈর্ঘ্য ৪.৮ কিলোমিটার। এটি বাংলাদেশ এবং দক্ষিণ এশিয়ার দীর্ঘতম সেতু। ১৯৯৮ সালে এর নির্মাণ কাজ শেষ হয়। ইহা যমুনা নাদীর পূর্ব তীরের ভূয়াপুর এবং পশ্চিম তীরের সিরাজগঞ্জকে সংযুক্ত করে। এইটি বিশ্বে ১১তম এবং দক্ষিণ এশিয়ার ৬ষ্ঠ দীর্ঘতম সেতু।

ইলিয়ট ব্রিজ

ইলিয়ট ব্রিজ সিরাজগঞ্জ শহরের কাটা খালের উপরে লোহা ও সিমেন্টের সমন্বয়ে তৈরী। সিরাজগঞ্জ শহরকে দেখার জন্য কাঁটাখালের উপরে প্রায় ৩০ ফুট উঁচু করে ইংরেজ এসডিও মিঃ বিটসন বেল আই, সি, এস, সাহেব ১৮৯৫ সনে ৪৫,০০০ টাকা খরচ করে বাংলার তৎকালিন ছোট লাট স্যার আল ফ্রেড ইলিয়ট সাহেবের নামানুসারে এই ব্রিজ তৈরী করেছিলেন। নামানুসারে এই ব্রিজ তৈরী করেছিলেন।

Tuesday, January 24, 2017

জঙ্গী দমন এবং দেশের সার্বিক উনয়ন বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনার সফলতা : নাসিম

সিরাজগঞ্জ প্রতিনিধি : জঙ্গী দমন এবং দেশের সার্বিক উনয়ন বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনার সফলতার উল্লেখ করে আওয়ামীলীর প্রসিডিয়াম সদস্য ও স্বাস্থ্য মন্ত্রী মােহাম্মদ নাসিম বলেছন- আগামী দুই বছর পর জাতীয় সংসদ নির্বাচন হবে। সংবিধান অনুযায়ী প্রধান মন্ত্রী শেখ হাসিনার অধিনেই নির্বাচন হবে। উন্নয়নে ধারা অব্যাহত রাখতে এ নির্বাচনে জনগণ আবারাে আওয়ামীলীগকেই ভােট দেবে বল তিনি মন্তব্য করেছন।
তিনি সােমবার দুপুর সিরাজগঞ্জ সদর উপজেলার ছােনগাছা ইউনিয়নের শীতার্তদের মধ্যে কম্বল বিতরণকালে একথা বলেছন। তিনি সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে বলেছেন- রাজনীতি জনগণের কল্যাণের জন্য। বিএনপি ধংসাত্বক রাজনীতি ছাড়া ইতিবাচক রাজনীতিতে ফিরে এসে জনগণের কল্যাণকর রাজনীতি করুক তা সবারই কাম্য। দেশের মানুষ আর ধংসের রাজনীতি চায় না।
সমাবেশে স্বাস্থ্য মন্ত্রী মােহাম্মদ নাসিম দৃঢ়তার সাথে বলেছেন- দেশের মানুষ আর ধংসের রাজনীতি চায় না। মানুষ চায় উন্নয়ন। যারা ধংসের রাজনীতি করেছে, জনগণ তাদের পরিহার করবে। বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনার নেতৃত্বে জঙ্গী দমনের সফলতার মুখ দেখছে। সারা দুনিয়ার মানুষ বাংলাদেশের উন্নয়ন ও জঙ্গী দমন সফলতায় প্রশংসা করেছে।
ছােনগাছা ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সভাপতি ও ইউপি চেয়ারম্যান শহীদুল আলমের সভাপতিত্বে ইউনিয়ন আওয়ামীলীগ কার্যালয়ে কম্বল বিতরণী অনুষ্ঠান উপলক্ষে আয়াজিত জনসমাবেশে উপজেলা নির্বাহী অফিসার ব্রেনজং চাম্বুগং, সদর উপজেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি মিজানুর রহমান দুদু, জেলা পরিষদর কাউন্সিলর গােলাম রব্বানি ও সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান সাইফুল ইসলাম উপস্থিত ছিলন।
এরপরে তিনি সিরাজগঞ্জ শহরের অদূরে শিয়ালকােল এলাকায় নির্মাণাধীন শহীদ এম মনসুর আলী সরকারি মেডিক্যাল কলেজের নির্মান কাজের অগ্রগতি পরিদর্শন করন।
শিয়ালকােল এলাকায় জাতীয় নেতা শহীদ এম মনসুর আলী সরকারি মেডিক্যাল কলেজের নির্মাণ কাজর অগ্রগতি পরিদর্শন কালে দ্রুত নির্ধারিত সময়ের মধ্য কাজ শেষ করার নির্দেশ দিয়ে তিনি বলেছেন কাজে কােন দূর্নীতি সয্য করা হবে না। এমনকি কেউ অযথা কাজে বাধা সৃষ্টি করলে তাকেও আইনের আওতায় আনার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তপক্ষকে নির্দেশ দিয়েছন। এ সময় নির্মানকারী প্রতিষ্ঠান পিডাব্লিডি’র নির্বাহী প্রকৌশলী দেবাশীষ চন্দ্র সাহা, সিভিল সার্জন ডাঃ শেখ মােঃ মনজুর রহমান, প্রকল্পের পিডি ডাঃ সাইফুদ্দিন ইয়াহিয়া, পৌর মেয়র সৈয়দ আব্দুর রউফ মুক্তা উপস্থিত ছিলেন।
পরে তিনি সার্কিট হাউসে মুক্তি যােদ্ধা সংসদের প্রতিনিধি দলের সঙ্গে মত বিনিময় করেন। প্রতিনিধি দল জেলা মুক্তিযাদ্ধা কমান্ডার গাজী সফিকুল ইসলাম সফি, আশরাফুল ইসলাম চৌধুরী জগলু সহ রাজনৈতিক দলর নেতৃবিন্দ উপস্থিত ছিলেন।

Sunday, January 22, 2017

বেলকুচিতে ৫শতাদিক নেতাকর্মী নিয়ে বিএনপি থেকে আওয়ামীলীগে যোগদান

বেলকুচি (সিরাজগঞ্জ) প্রতিনিধি : সিরাজগঞ্জের বেলকুচি উপজেলায় ৫শতাদিক নেতাকর্মী নিয়ে বেলকুচি উপজেলা বিএনপির সদস্য সচিব ও সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান আতাউর রহমান আওয়ামীলীগে যোগদান করেছেন।
শনিবার সন্ধ্যায় বেলকুচির আলহাজ্ব সিদ্দিক উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে সংভর্থনা অনুষ্ঠানে জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান ও জেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি আব্দুল লতিফ বিশ্বাস এবং ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক ডা. হাবিবে মিল্লাত মুন্নার হাতে ফুলের নৌকা দিয়ে তিনি আওয়ামীলীগে যোগদান করেন।
যোগদানকারীদের মধ্যে রয়েছেন বেলকুচি উপজেলা বিএনপি নেতা আব্দুল আলীম, শ্রমিক দলের আহবায়ক নুরুল ইসলাম নুরু, উপজেলা বিএনপির সদস্য আল মাহমুদ, উপজেলা যুবদলের যুগ্ন সম্পাদক থানা মাসুদ রানা, হাসানুল হক রিপন, স্বেচ্ছাসেবক দলের যুগ্ন সাধারণ সম্পাদক মুকুল হোসেন মাসুদ রানা বাচ্চুসহ উপজেলা বিএনপি, রাজাপুর ইউনিয়ন বিএনপি ও এর সকল অঙ্গ সংগঠনের প্রায় সহস্রাধিক নেতাকর্মী।


সিরাজগঞ্জে জাতির পিতা, প্রধানমন্ত্রী এবং জাতীয় নেতার ছবি সম্বলিত ব্যানার,পোস্টার লুটালো মাটিতে

নিজস্ব সংবাদদাতাঃ
ছবি দেখে কি ভাবছেন ? জামায়ত শিবিবের কাজ ? না সিরাজগঞ্জে এই ঘৃন্য কাজের তীর উঠেছে কতিপয় নামধারী আওয়ামীমনা নেতা-কর্মীর উপর । যমুনা সেতু পার হবার পর উত্তরবঙ্গের প্রবেশদ্বার সিরাজগঞ্জের মুলিবাড়ি রেলক্রসিং এলাকায় জাতিরজনক বঙ্গবন্ধু, জাতীয় চার নেতার অন্যতম শহীদ এম মনসুর আলী, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা , আওয়ামীলীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য আলহ্বাজ মোহাম্মাদ নাসিম, নাসিমপুত্র এবং সাবেক এমপি তানভীর শাকিল জয় এবং সিরাজগঞ্জ জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি জাকিরুল ইসলাম লিমনের ছবি সংবলিত পোস্টার , ব্যানার কে বা কারা রাতের আধারে ছিড়ে/কেটে মাটিতে ফেলে রাখে । যার ফলে চরম অবমাননা হয় জাতীয় এবং স্থানীয় নেতৃবৃন্দের ।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক স্থানীয় বাসিন্দা এবং কতিপয় মানুষের ফেসবুক ওয়াল থেকে পাওয়া একটি ফোনালাপের রেকর্ডিং এর বরাদ দিয়ে জানা যায় আওয়ামীলীগের অন্য একটি গ্রুপ হিংসার বসবর্তী হয়ে এ ন্যাক্কারজনক ঘটনাদি ঘটিয়ে থাকতে পারে । স্থানীয় জনগণ এই ঘটনায় ক্ষুদ্ধ প্রতিক্রিয়া দেখিয়েছেন এবং দোষীদের বিচারের আওতায় আনার দাবী জানিয়েছেন ।

Wednesday, January 18, 2017

আবাসিক হোটেলে পতিতাবৃত্তি, ৮ নারীর সাজা

নিজস্ব প্রতিনিধি:
আবাসিক হোটেলে পতিতাবৃত্তি, ৮ নারীর সাজা
সিরাজগঞ্জ শহরের একটি আবাসিক হোটেলে পতিতাবৃত্তির অভিযোগে ৮ নারীকে ১৫ দিনের কারাদন্ড দিয়েছেন ভ্রাম্যমান আদালত।

বুধবার আড়াইটার দিকে ভ্রাম্যমান আদালতের বিচারক সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসার ব্রেনজন চাম্বুগং এ দণ্ডাদেশ প্রদান করেন। এর আগে বেলা সাড়ে ১২টার দিকে শহরের বাজার স্টেশন এলাকায় নাফিস আবাসিক হোটেলে অভিযান চালিয়ে পতিতাবৃত্তির অভিযোগে ৮ নারীকে আটক করে পুলিশ।

দণ্ডপ্রাপ্তরা হলো, শহরের রেলওয়ে কলোনীর রোজিনা খাতুন (৩০), দত্তবাড়ীর পারভীন খাতুন (২৪), কামারখন্দ উপজেলার ভদ্রঘাট গ্রামের আলো খাতুন (৩০), সলঙ্গা থানার হাটিকুমরুল গ্রামের কাজল রেখা (২৬), রায়গঞ্জ উপজেলার হাটপাঙ্গাসী গ্রামের ফরিদা খাতুন (৩৫), একই উপজেলার নিমগাছী এলাকার রত্না খাতুন (২০), সদর উপজেলার পিপুলবাড়ীয়া গ্রামের রাশিদা খাতুন (৩৪) ও টাঙ্গাইল সদর উপজেলার আকলিমা খাতুন (৩০)।

সদর থানার উপ-পরিদর্শক আব্দুল্লহ আল মামুন জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে নাফিস হোটেলে অভিযান চালিয়ে ওই ৮জন পতিতাকে আটক করা হয়।

সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসার ব্রেনজন চাম্বুগং জানান, শহরের নাফিস হোটেলে দীর্ঘদিন ধরে অসামাজিক কাজ চলে আসছে। হোটেলটি বন্ধ ও মালিকের বিরুদ্ধে আইনী ব্যবস্থা নেয়া হবে।

উল্লাপাড়া-উধুনিয়া সড়কের বেহাল দশা, গত ১০ বছরে সংস্কারের ছোয়া লাগেনি


কার্পেটিং উঠে গেছে বহু আগে। সড়কের মাটির অংশও দেবে গেছে। বেশির ভাগ স্থানে সৃষ্টি হয়েছে বড় বড় গর্ত। যানবাহন চলাচল তো পরের ব্যাপার, হাঁটাই রীতিমতো দুরূহ। সিরাজগঞ্জের উল্লাপাড়া উপজেলার মোহনপুর বাজার থেকে উধুনিয়া ইউনিয়ন পরিষদ পর্যন্ত প্রায় ছয় কিলোমিটার সড়কের এই করুণ দশা গত ১০ বছর ধরে।

স্থানীয় লোকজন জানান, ২০০৪-০৫ অর্থবছরে চলনবিলের মাঝখান দিয়ে উল্লাপাড়া-উধুনিয়া পর্যন্ত প্রায় ১৫ কিলোমিটার সড়ক নির্মাণ করা হয়। নির্মাণের এক বছরের মাথায় ওই সড়কের মোহনপুর বাজারের পশ্চিম অংশ থেকে উধুনিয়া পর্যন্ত ছয় কিলোমিটার অংশ বন্যার পানির তোড়ে ভেঙে যায়। এরপর আর সংস্কার না হওয়ায় কার্পেটিং উঠে যায়। বিভিন্ন স্থানে গর্তের সৃষ্টি হয়। সেগুলো বিস্তৃত হতে থাকে। বর্তমানে সড়কের ওই অংশে মোটরসাইকেল ছাড়া অন্য কোনো যান চলাচল করে না। বর্ষায় হেঁটে চলাচলেরও অনুপযোগী হয়ে পড়ে সড়কটি।

গত শুক্রবার সরেজমিনে দেখা যায়, বেশির ভাগ স্থানে বড় বড় গর্তের সৃষ্টি হয়েছে। কোথাও কোথাও পানি জমে ডোবার মতো হয়ে আছে। দুই পাশ থেকে মাটি সরে যাওয়ায় সেতুগুলো কোনোমতে দাঁড়িয়ে আছে।

উধুনিয়া গ্রামের বাসিন্দা ওলি দাস তাঁর বাবার বাগি উল্লাপাড়ার সোনতলা গ্রাম থেকে বস্তায় মালামাল নিয়ে হেঁটেযাচ্ছিলেন। তিনি বলেন, ‘এবা করাই গত ১০ বছর বাবার বাড়িতে যাওয়া-আসা করি। রাস্তা খারাপ হের লাইগ্যা কোনো আত্মীয়স্বজনও আসে না।’ একই গ্রামের নাসিমা বেগম বলেন, ‘এই রাস্তার লাইগ্যা আমাগো গ্রামের কোনো মেয়ের ভালো বিয়া হইতেছে না। ভালো পরিবারের লোকজন আসে না। এভাবে আর কত দিন চইলব, আল্লাহই জানে।’

মোহনপুর বাজারের ব্যবসায়ী ইকবাল হোসেন বলেন, ২০১২ সালে সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের সড়কটি পরিদর্শন করেন। ওই সময় তিনি সড়ক ও জনপথ বিভাগের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের নির্দেশ দিয়েছিলেন ছয় মাসের মধ্যে মেরামতকাজ শুরু করতে। কিন্তু চার বছর অতিবাহিত হলেও কিছুই হয়নি।

সড়ক ও জনপথ বিভাগের উপবিভাগীয় প্রকৌশলী আশরাফ আলী বলেন, প্রায় দেড় শ কোটি টাকা ব্যয়েউল্লাপাড়ার শ্যামলীপাড়া থেকে পাবনার ভাঙ্গুড়া উপজেলার ময়দানদীঘি বাজার পর্যন্ত ২২ কিলোমিটার নতুন রাস্তা নির্মাণের জন্য মন্ত্রণালয়ে প্রস্তাব পাঠানো হয়েছিল। সেটি ফেরত পাঠানো হয়েছে। সড়ক বিভাগের বিশেষজ্ঞরা রাস্তাটি সরেজমিনে পরিদর্শন করে মতামত দেওয়ার পর আবার নতুন করে প্রকল্প দেওয়া হবে। তবে ভেঙে ভেঙে অল্প টাকার মধ্যে সড়কটির উধুনিয়া পর্যন্ত ছয় কিলোমিটার অংশ মেরামত করার জন্য প্রস্তাব পাঠানো হবে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ে।

স্থানীয় সাংসদ তানভীর ইমাম বলেন, ‘সড়কটির বিষয়ে সড়ক ও জনপথ বিভাগের ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে। এটি বড় ধরনের কাজ বিধায় সময় লাগছে। আশা করি, প্রকল্প অনুমোদনের পর কিছুদিনের মধ্যেই মেরামতকাজ শুরু করা যাবে।’

Tuesday, January 17, 2017

সাবেক প্রধান মন্ত্রী ও অন্যতম জাতীয় নেতা শহীদ এম মনসুর আলীর জন্মশত বার্ষিকী পালিত

নিজস্ব প্রতিনিধিঃ
শহীদ এম মনসুর আলী ছিলেন এক জন খাঁটি বাঙ্গালী। এক জন খাঁটি দেশ প্রেমিক রাজনৈতিক ব্যাক্তিত্ব। সাধারন মানুষের প্রতি তাঁর ছিল অকৃত্রিম ভালোবাসা। এই মহান নেতার শততম জন্ম বার্ষিকী পালন এক ঐতিাসিক ঘটনা।
১৯৭৫-এর রাজনৈতিক পটপরিবর্তনে জাতির জনক বঙ্গবন্ধুর মতো আরো একজন শ্রেষ্ঠ সন্তানকে হারিয়েছে। রাজনীতির এ শূন্যতা পূরণ হবার নয়। শহীদ এম মনসুর আলীর শততম জন্ম বার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত বিশাল জনসমাবেশে স্বাস্থ্য মন্ত্রী মোহাম্মদ নাসিম এসব কথা বলেছেন।
প্রধান বক্তা শহীদ এম মনসুর আলীর রাজনৈতিক উত্তরসুরী স্বাস্থ্য মন্ত্রী মোহাম্মদ নাসিম তাঁর পিতার প্রতি এ অঞ্চলের মানুষের ভালবাসায় আবেগ আপ্লুত হয়ে গর্ববোধ করে বলেছেন- আমার শহীদ পিতা জাতির জনক বঙ্গবন্ধু এবং দেশের সাথে বেঈমানী করেননি, তা তিনি জীবন দিয়ে প্রমাণ করেছেন। শহীদ এম মনসুর আলীর কাজীপুর এখনও নৌকার ঘাটি।
তার শহীদ পিতার জন্য তিনি গর্ববোধ করে বলেছেন “বাবার শেষ বারের মতো মুখটাও দেখতে পারিনি। তারপরও এই মহান ব্যাক্তির সন্তান হিসেবে আমি গর্বিত।
এর আগে শিল্প মন্ত্রী আমির হোসেন আমু সহ কুড়িপাড়ায় শহীদ এম মনসুর আলীর ভিটে বাড়িতে দোয়া ও মিলাদ মাহফিলে অংশ নেন।
প্রধান অতিথি শিল্পমন্ত্রী আমির হোসেন আমু শহীদ এম মনসুর আলীর স্মৃাতির প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করে ১৯৭৫ সালে ঢাকার কেন্দ্রীয় কারাগারে কি নির্মমভাবে শহীদ এম মনসুর আলীসহ জাতীয় চার নেতা হত্যা করা হয়েছিল তার সংক্ষিপ্ত বর্ণনা দিয়ে দেন। তিনি আরো বলেছেন, বাংলার ইতিহাসে যে মহাপুরুষগণ তাদের অসামান্য কৃর্তিও জন্য অবিস্মরনীয় হয়ে রয়েছেন, স্বাধীনতা ও মুক্তিযুদ্ধে অসাধারণ ও সফল সংগঠক, জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মজিবুর রহমানের ঘনিষ্ট সহচর জাতীয় চার নেতার অন্যতম স্বাধীন বাংলাদেশের প্রধান মন্ত্রী শহীদ এম মনসুর আলী ছিলেন।
মনসুর আলীর সঙ্গে জাতির জনক বঙ্গবন্ধুর সখ্যতা, অবিচল আস্থা ও বিশ্বাস ছিল নজির বিহীন। এ জন্যই বঙ্গবন্ধু শহীদ এম মনসুর আলীকে দেশের প্রধান মন্ত্রীত্বসহ ১৬ টি মন্ত্রনালয়ের দায়িত্ব দিয়েছিলেন। তাই জাতীয় নেতা, সাবেক প্রধান মন্ত্রী শহীদ এম মনসুর আলীর শততম জন্ম বার্ষিকী পালন একটি ঐতিহাসিক ঘটনা।
শহীদ এম মনসুর আলীর শততম জন্ম বার্ষিকীতে তাঁর নির্বাচনী এলাকায় শহীদ মনসুর আলী কল্যাণ ট্রাষ্ট, মনসুর আলী স্মৃতি সংসদ, মনসুর আলী পরিষদ সহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান ২দিন ব্যাপী নানা কর্মসূচি পালন করেছে। এলাকার বিভিন্ন সড়ক সমূহে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু, শহীদ এম মনসুর আলী, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, আমির হোসেন আমু এবং মোহাম্মদ নাসিমের ছবি দিয়ে নির্মাণ করা হয়েছিল রং বেরঙের তোরণ। কাজীপুরের ইউনিয়ন, গ্রাম থেকে বাদ্যযন্ত্র বাজিয়ে উৎসবের আমেজে দলীয় নেতাকর্মীসহ মনসুর ভক্ত সাধারন মানুষ দলে দলে এসে জনসমাবেশে যোগ দেন। বিকেল তিনটার মধ্যেই গান্ধাইল হাই স্কুল মাঠ কানায কানায় বরে যায়।
জনসমাবেশ যেন জনসমুদ্রে রুপ নেয়। সিরাজগঞ্জ সদরের কুড়িপাড়ায় শহীদ এম মনসুর আলীর জন্ম হলেও কাজীপুর তাঁর নির্বাচনী এলাকা হওয়ায় জন্ম শত বার্ষিকীতে গোটা কাজীপুরের মানুষ বিপুল উৎসাহ উদ্দীপনার মধ্য দিয়ে তা পালন করেছেন। গোটা কাজীপুরেই ছিল উৎসবের আমেজে মূখর।
শহীদ মনসুর আলী স্মৃতি সংসদ আয়োজিত এ বিশাল জনসমাবেশে সভাপতিত্ব করেন সংসদের আহবায়ক ও সিরাজগঞ্জ চেম্বার কমার্স এন্ড ইন্ডাষ্ট্রি’র প্রেসিডেন্ট আবু ইউসুফ সুর্য্য। জনসমাবেশে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন শিল্পমন্ত্রী আমির হোসেন আমু, প্রধান বক্তা স্বাস্থ্য মন্ত্রী মোহাম্মদ নাসিম। বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান ও জেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি আব্দুল লতিফ বিশ্বাস, ভারপ্রাপ্ত সাধারন সম্পাদক অধ্যাপক ডাঃ হাবিবে মিল্লাত মুন্না এমপি, গাজী আমজাদ হোসেন মিলন এমপি, বেগম লায়লা নাসিম সাবেক এমপি তানভীর শাকিল জয়, সেলিনা বেগম স্বপ্না এমপি, অ্যাডভোকেট কে,এম হোসেন আলী হাসান ও বগুড়া জেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি মমতাজ উদ্দিন প্রমুখ।

Saturday, December 31, 2016

অতীতে যারা রাজনীতির নামে লুটপাট করেছে তাদের জনগনই আস্তাকুরে নিক্ষেপ করেছে - মোহাম্মদ নাসিম

কাজীপুর প্রতিনিধিঃ
সুখে দুঃখে বাংলার জনগণের সাথে বর্তমান সরকার আছে উল্লেখ করে আওয়ামীলীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য, ১৪ দলের মুখপাত্র স্বাস্থ্যমন্ত্রী মোহাম্মদ নাসিম বলেছেন- আওয়ামীলীগ জনগনের সরকার । প্রাকৃতিক যে কোন দূর্যোগের সময় বর্তমান সরকার জনগনের পাশে আছে এবং ভবিষ্যতেও থাকবে । অতীতে যারা রাজনীতির নামে লুটপাট করেছে তাদের জনগনই আস্তাকুরে নিক্ষেপ করেছে । নারায়নগঞ্জ সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনে প্রমান হয়েছে এদেশের জনগন উন্নয়নের পক্ষে আছে । সন্ত্রাস ঘুষ দুর্নীতি লুটপাটের রাজনীতি প্রত্যাখান করেছে । কাজিপুর সদর ইউনিয়ন পরিষদের শীতার্ত মানুষের মধ্যে শুক্রবার সন্ধ্যায় কম্বল বিতরনকলে তিনি এসব কথা বলেছেন। এর আগে
স্বাস্থ্যমন্ত্রী মোহাম্মদ নাসিম আলমপুর রাস্তার উন্নয়ন কাজ পরিদর্শন করেন এবং আওয়ামী লীগের একনিষ্ঠ কর্মী মর্তুজ তালুকদারের কবর জিয়ারত করেন । কাজিপুর ইউনিয়ন পরিষদে কম্বল বিতরণ কালে জেলা আওয়ামীলীগের সহ সভাপতি আবু ইউসুফ সুর্য্য, আব্দুস সামাদ তালুকদার, আব্দুল বারী শেখ,দানিউল হক দানী, উপজেলা নির্বাহী অফিসার শফিকুল ইসলাম,উপজেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি শওকত হোসেন সাধারণ সম্পাদক খলিলুর রহমান ইউপি চেয়ারম্যান টিএম আতিকুর রহমান উপস্থিত ছিলেন ।